চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

টিএসসির পুরনো স্থাপনা অক্ষত রেখে মার্চে নতুন নকশা অনুমোদন

আধুনিক টিএসসি নির্মাণকে ইতিবাচক দেখছেন শিক্ষার্থীরা

টিএসসির নতুন নকশা মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পুরনো স্থাপনাগুলো অক্ষত রেখে নতুন নকশা প্রকাশ করা হয়েছে। পুরনো স্থাপনাগুলো অক্ষত রেখে প্রকাশ করা নতুন নকশায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

নতুন নকশা অনুযায়ী, পুরনো স্থাপনাগুলো অক্ষত থাকবে। পরিত্যক্ত সুইমিং পুলের স্থানে নতুন স্থাপনা তৈরি করা হবে। সেখানেই নান্দনিক আর্কিটেকচারাল ভিউকে প্রাধান্য দিয়ে ১০তলা বিল্ডিং করা হবে। আর অডিটোরিয়াম কিছুটা বড় করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন নকশায় টিএসসির মাঠ আগের মতোই রাখা হয়েছে।

ঐতিহ্য বজায় রেখে আধুনিক টিএসসি নির্মাণকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, টিএসসির নতুন নকশার সবচেয়ে ভালো লাগার দিকটা হলো, ১০তলা যে ভবন করা হবে সেটার দেয়ালে পরিবেশসম্মত ভার্টিকাল গার্ডেন থাকবে। ভবিষ্যতে আমরা নান্দনিক একটা টিএসসি দেখতে পাব।

বিজ্ঞাপন

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, নকশাটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও পছন্দ হয়েছে। সময়ের সাথে তাল মেলাতে টিএসসির আধুনিকায়ন জরুরি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম সিকদার জানিয়েছেন, ঐতিহ্য অক্ষত রেখে কিভাবে সৌন্দর্য্য আরও বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আমরা গণপূর্ত বিভাগের সাথে আলোচনা করেছি।

টিএসসির নতুন নকশা

জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি গণপূর্ত ভবনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে তারা যে নকশা দিয়েছিল সেটিতে আমরা কিছু সংস্কার করতে বলেছিলাম। নতুন নকশায় যেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতিফলন থাকে সেদিকে নজর দিতে বলেছিলাম। আশা করছি মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে টিএসসির নতুন নকশার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে। এরপর টিএসসির সংস্কার শুরু হবে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি ঢাবির সিনেট ভবনের সভাকক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের একটি দলের বৈঠক হয়। বৈঠকে টিএসসির নতুন খসড়া নকশাটি উপস্থাপন করা হয়। সেটি পছন্দও করে কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, টিএসসির বর্তমান স্ট্রাকচার ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন রূপে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে প্রশাসন।