চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের উপনির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে: নির্বাচন কমিশনার

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী (অব.) বলেছেন, অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপ-নির্বাচনের পরিবেশ ভাল রয়েছে।

এখনও কোন সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। প্রত্যেক প্রার্থীর যার যার মতো প্রচার প্রচারণা করছেন। কারও কোন অভিযোগ নেই। বর্তমানে যে পরিস্থিতি রয়েছে তাতে আমি বলতে পারি এ উপনির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে।

Reneta June

মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল-৭ এর উপনির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ময়মনসিংহের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাহিদুল নবী চৌধুরী, সহকারি রিটার্নিং অফিসার এইচএম কামরুল হাসান প্রমুখ।

ভোট কারচুপির বিষয়ে শাহাদত হোসেন চৌধুরী বলেন, ভোট কেন্দ্রের বুথে ঢুকে যাতে একজনের ভোট আরেকজনে দিতে না পারে, এ বিষয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের শক্তভাবে নির্দেশনা দিতে হবে। কোন কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণ না থাকলে ওই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দিতে হবে। এটি না করা হলে কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটু পিছ পা হবে না। আর এরকম অনেকগুলো কেন্দ্র অনিয়ম হলে হলে পুরো নির্বাচন বন্ধ করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেন তিনি। অনিয়ম বা ভোট কারচুপির সাথে কোন প্রার্থীর এজেন্ট জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তার প্রার্থীতা বাজেয়াপ্তসহ প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্বাচনে অনিয়ম ও কোন ধরনের শিথিলতা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন মেনে নিবে না।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের এজেন্টদের হয়রানি করা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে যাতে নির্বাচনী আমেজ নষ্ট না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভোটাররা যাতে অনুভব করতে পারে অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোট গ্রহণের পর যাতে প্রত্যেকটি ভোটার নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। শুধু ভোটের দিন নয়, ভোটের পরেও যাতে কোন সহিংসতা না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আহ্বান জানান।

প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে শাহাদত হোসেন বলেন, করোনা প্রতিরোধে যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে সেটি মেনেই নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রত্যেকটি কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাইনে দাঁড়ানোসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী রাখা হবে। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়েও টাঙ্গাইলবাসী অত্যন্ত সচেতন রয়েছেন। নির্বাচনে করোনার কোন নেতিবাচক আবহ হবে বলে আমি মনে করি না।

প্রসঙ্গত, আগামী ১৬ জানুয়ারি টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।