চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

টাইগারদের জন্য নতুন করে সুরক্ষা বলয়

শ্রীলঙ্কা সফর আপাতত হচ্ছে না, সেটি জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তারপরও জাতীয় দলের অনুশীলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। সিরিজ না হলেও আগামী দুই সপ্তাহ বিদেশি কোচদের অধীনে চলবে আবাসিক স্কিল ক্যাম্প।

বিসিবি চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন ভেঙে পড়া জৈব সুরক্ষার বলয় (বায়ো সিকিউর বাবল) নতুন করে গড়ে তোলা হবে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল আমরা মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেব। কবে খেলোয়াড়দের কোভিড-১৯ টেস্ট হবে বা কীভাবে আমরা তাদের বায়ো সিকিউর বাবলে রাখবো সেটি নিয়ে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন আছে। যেহেতু সুরক্ষা বলয় ভাঙতে হয়েছে আমাদের। এখন নতুন করে বাবল তৈরি করতে হবে। কেননা অনুশীলন চলবে আর সেটা আবাসিক ব্যবস্থাতেই।’

বিজ্ঞাপন

লঙ্কা সফর সামনে রেখে ২৭ ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্য বাবল তৈরি করেছিল বিসিবির মেডিকেল বিভাগ। ২০ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক ক্যাম্প শুরুর দিনই মুমিনুল-মুশফিকদের তোলা হয়েছিল হোটেল সোনারগাঁওয়ে। সেখান থেকেই শ্রীলঙ্কা রওনা হওয়ার কথা ছিল টাইগারদের।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু সফর নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় সপ্তাহ পেরিয়ে সুরক্ষা বলয় ভেঙে ফেলে বিসিবি। অনুশীলন থেকে ক্রিকেটারদের তিন দিনের ছুটি দেওয়ার পাশাপাশি হোটেল ছেড়ে বাসায় থাকার অনুমতিও দেয়া হয়।

ক্রিকেটাদের ছুটি শেষ হবে মঙ্গলবার। বিরতির মাঝেই সিরিজ ভেস্তে যাওয়া নিশ্চিত হলেও অনুশীলন চলবে সেটি জানিয়েছেন নাজমুল হাসান। প্রাথমিক দলে থাকা ২৭ ক্রিকেটার স্কিল ক্যাম্প শেষে নিজেদের মধ্যে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বলেও জানান তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেট শুরুর সুখবরও দেন বিসিবি সভাপতি।

‘খেলা তো চলবে, এদের তো এখনও ১৫ দিনের ক্যাম্প বাকি আছে। এই অনুশীলনটা চলবে। এরপর খেলা হবে। তিনটি অনুশীলন ম্যাচ হবে ওদের মধ্যেই। এর মধ্যেই শুরু হবে যে টুর্নামেন্টটি আমরা করতে চাচ্ছি সেটা। এটা যে নামেই হোক। জাতীয় দল, এইচপি, অনূর্ধ্ব ১৯ দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটার নিয়ে যদি আমরা টুর্নামেন্ট করতে পারি তাহলে সেটি দিয়েই ক্রিকেট শুরু হবে। এটা খুব সম্ভবত এখন পর্যন্ত যা বুঝতে পারছি টি-টুয়েন্টিই হবে।’

‘এই সময়ের মধ্যে আমাদের যে লিগ, প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী, প্রিমিয়ার লিগ যা যা বাকি আছে সেগুলো শেষ করে ফেলা হবে। এটার প্রস্তুতির জন্যই একটু সময় নিচ্ছি। যেন খেলার মধ্যেই আমরা থাকি। খেলা চালু করা তো গুরুত্বপূর্ণ না, কথা হলো আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো কীভাবে? খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে আমি বলেছি ক্লাবগুলোকে ডাকতে, খেলোয়াড়দের সঙ্গে বসতে এবং আমাদেরকে একটা পরিকল্পনা দিতে। আমাদের কাছে যদি মনে হয় সেই পরিকল্পনা মোটামুটি সন্তোষজনক হয়, তাহলে আমরা দ্রুত খেলা চালু করে দিব।’