চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

টরন্টোর শহীদ মিনারে বিতর্কিত কারও থেকে অর্থ নেয়া হয়নি

বাংলাদেশিদের ব্যবস্থাপনায় টরন্টোয় যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধ নির্মাণ হচ্ছে সেখানে কোনো অর্থপাচারকারী বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে অনুদান নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ‘টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে মনুমেন্ট ইনক’।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কমিউনিটির সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সংগঠনের কর্মকর্তারা বলেন,স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দায়িত্বে থাকা সংগঠনেও কোনো বিতর্কিত বা অভিযুক্ত কেউ পরিচালক হিসেবে নেই।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ সংগঠনের দৃষ্টিতে আনলে তারা প্রচলিত আইন অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন বলে ঘোষণা দেন।

বাংলাদেশের শহীদ মিনারের আদলে নির্মিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরতে ভার্চুয়াল এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। টরন্টো সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় নির্মিত এই ভাষা স্মৃতিসৌধটি বাঙালি কমিউনিটি শহীদ মিনার হিসেবে গ্রহণ করেছে।

বিজ্ঞাপন

সংগঠনের চেয়ারপার্সন ব্যারিস্টার চয়নিকা দত্ত জানান: কোভিড পরিস্থিতি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই বছর নতুন এই ভাষা সৌধে শহীদ দিবস উদযাপন করা যায়নি। আগামী বছর কমিউনিটির সবাইকে নিয়ে এই ভাষা স্মৃতি সৌধে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ব্যারিস্টার চয়নিকা দত্ত বলেন: ভাষাার অধিকার আদায়ে বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস অন্যান্য কমিউনিটির মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। এই কাজে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।

সংগঠনের সভাপতি ম্যাক আজাদের সঞ্চালনায় এই মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ড. মোজাম্মেল খান, রুমানা চৌধুরী, গোলাম দস্তগীর, মোহসীন ভূইয়া, ফরিদা হক, সাদি আহমেদ, আবুল আজাদ, নাহিদ আখতার, আজিজ মোল্লাহ, রেজা সাত্তার, জামাল হোসেন, শেবু চৌধুরী, শান দে প্রমূখ।

শহীদ মিনারকে লুটেরা মুক্ত করার দাবিতে কমিউনিটির আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে ম্যাক আজাদ বলেন: বেলায়েত হোসেন মিঠুকে শহীদ মিনারের কমিটি থেকে বহিষ্কার বা অব্যহতি দেয়ার খবর মোটেও সত্য নয়। পরিচালনা পরিষদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর প্রক্রিয়ায় আঠারো জন নতুন সদস্যের প্রস্তাবিত তালিকায় তার নাম ছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত ফরম পূরণ করে জমা না দেয়ায় তার সদস্যপদ হয়নি। তিনি সংগঠনের সদস্যই ছিলেন না, এখনও নেই। তার স্ত্রী নাহিদ আকতারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে কোথাও কোনো অভিযোগ থাকলে তার ব্যাপারে প্রচলিত বিধান অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় আলোচকরা বিদেশের মাটিতে শহীদ মিনার নির্মাণকাজ শেষ করতে পারায় উদ্যোক্তাদের প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান।