চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জো বাইডেনের রানিংমেট হলেন কমলা হ্যারিস

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দৌঁড়ে নিজের রানিংমেট তথা ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে কৃষ্ণাঙ্গ-ভারতীয় মার্কিন নাগরিক কমলা হ্যারিসকে বেছে নিলেন ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন।

বিবিসি বলছে, অনেক জল্পনা, আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে মঙ্গলবার রানিংমেট হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর কমলা হ্যারিসকেই বেছে নেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

নভেম্বরে মার্কিন নির্বাচনে রিপাবালিকান দলীয় বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বাইডেন-কমলা জুটি।

বিজ্ঞাপন

প্রথমে কমলা হ্যারিস অবশ্য প্রেসিডেন্ট পদের জন্যই প্রচারণা শুরু করেছিলেন। শুরুর দিকে বাইডেনের সমালোচনা করতেও দেখা যায় তাকে। পরে দুজনে একত্রে ট্রাম্পের সঙ্গে লড়াইয়ে নামার সিদ্ধান্ত নিলেন।

কমলা হ্যারিসকে বাছাই করে নেওয়ার পর হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলন জো বাইডেন বলেন, ‘আমার এক নম্বর পছন্দ কমলা হ্যারিস‘।

এক টুইটে কমলা হ্যারিসকে নিজের রানিংমেট হিসেবে বাছাই করতে পেরে সম্মানিতবোধ করছেন বলে জানান জো বাইডেন। নির্বাচনের সময় তাকে অংশীদার হিসেবে পেয়ে তিনি গর্বিত বলে মন্তব্য করেন। কমলা হ্যারিসও জো বাইডেনের রানিংমেট হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন বলে জানান।

কমলা হ্যারিস বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্টের জন্য আমাদের দলের মনোনিত প্রার্থী হিসাবে জো বাইডেনের সাথে যোগ দিতে পেরে আমি সম্মানিতবোধ করছি এবং তাকে আমাদের সর্বাধিনায়ক করার জন্য যা করতে হবে তা করার জন্য আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যদিয়ে কমলা হ্যারিস প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ এশিয়ান-আমেরিকান নারী হিসাবে এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্যে মনোনীত হলেন।

ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে ডেমোক্র্যাট দলে যোগদানের মধ্যদিয়ে কমলা হ্যারিসের রাজনীতিক যাত্রার সূচনা। তার মা ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং বাবা জ্যামাইকান বংশোদ্ভূত। সেদিক থেকে তিনি আমেরিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী, যিনি ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌঁড়ে সুযোগ পেলেন।

রাজনীতিক জীবনে ৫৫ বছর বয়সী হ্যারিস ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রথমবার সেনেটর নির্বাচিত হন।

ক্যালিফোর্নিয়ার প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকার সময় দেশব্যাপী বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে পুলিশবাহিনীর সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন কমলা হ্যারিস। সে জনপ্রিয়তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জন্য ডেমোক্র্যাট দলের মনোনয়নের জন্য জো বাইডেনের সঙ্গে লড়াই করেন এবং হেরে যান।

কমলা হ্যারিস ছাড়াও এর আগে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে  রিপাবলিকান দল থেকে সারা পলিন এবং ১৯৯৪ সালে ডেমোক্র্যাট দল থেকে জেররাল্ডাইন ফেরারো মনোনীত হয়েছিলেন। তবে তাদের কেউ হোয়াইট হাউসে স্থান করে নিতে পারেননি।

এছাড়াও মার্কিন ইতিহাসে কোনো নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেননি।