চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জিদানের যে কথায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ফিরেছিল রিয়াল

নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে টাইব্রেকে হারিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ নিজেদের ১১তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ঘরে তুলেছে, সে চার বছর আগের কথা। রাফায়েল বেনিতেজের ছন্নছাড়া দলটাকে ছয় মাসেরও কম সময়ে গুছিয়ে ইউরোপ সেরা বানানো, রীতিমত জাদু দেখিয়েছিলেন জিনেদিন জিদান। ধুঁকতে থাকা দলকে কোন কথায় উজ্জীবিত করে সেরা বানিয়েছিলেন জিদান? সেটাই উয়েফাকে শুনিয়েছেন রিয়াল অধিনায়ক সার্জিও রামোস।

২০১৬ সালে অ্যাটলেটিকোর বিরুদ্ধে মিলানের সেই ফাইনালের পর রিয়াল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছে আরও টানা দুবার। একমাত্র কোচ হিসেবে টানা তিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের অনন্য কৃতিত্ব কেবল জিদানেরই। মিলানের সেই ফাইনাল থেকেই যেন বদলে যাওয়া সব।

‘জিদান আমাদের মাথা ঠাণ্ডা রেখে এবং ম্যাচ বুঝে খেলতে বলেছিলেন। বলেছিলেন, এভাবে খেললেই ম্যাচ আমাদের হাতে চলে আসবে।’

‘তিনি বলেছিলেন আমাদের নিয়ে তিনি গর্বিত। আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আমাদেরই হবে।’

অ্যাটলেটিকোর থেকে বাতাসে বলের দক্ষতা বেশি থাকায় সেদিন রিয়াল শিরোপা জিতেছিল বলে মনে করেন রামোস, ‘আমাদের দলটা অনেকদিন ধরেই একসঙ্গে খেলেছে, সেটপিস থেকে কীভাবে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করে দেয়া যায় তা নিয়ে অনেক অনুশীলন করতাম আমরা।’

বিজ্ঞাপন

‘আমাদের কয়েকজন দারুণ হেড করতে পারত, জানতাম ঠিকমত কাজ করতে পারলে ফল আমাদের হাতে আসবেই।’

অ্যাটলেটিকো দলের অনেকেই আবার রামোসের জাতীয় দল সতীর্থ। ম্যাচ নিয়ে কথা না বললেও টাইব্রেকের পর সান্ত্বনা দিতে তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন রামোস।

‘ম্যাচের আগে অ্যাটলেটিকোর কারও সঙ্গে আমার কথা হয়নি। ওদের দলে স্পেনের হুয়ানফ্রান, কোকে ও ফার্নান্দো তোরেস আমার ভালো বন্ধু।’

‘ম্যাচের পর আমি ওদের সঙ্গে গিয়ে কথা বলেছি। চেয়েছি ওদের উজ্জীবিত করতে বিশেষ করে হুয়ানফ্রানকে।’

শেয়ার করুন: