চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জার্মানির ড্রেসডেন শহরে প্রথম দুর্গাপূজা

হাবিবুর রহমান হেলাল: জার্মানির ড্রেসডেন শহরে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপূজা।

দুর্গাপূজায় ড্রেসডেনের প্রবাসী বাঙালির মধ্যে ভারত, বাংলাদেশ উভয় দেশেরই মানুষ আছেন। সময়ের অভাবে প্রতিমা না এনে, মা দুর্গার চালচিত্র দিয়ে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছিল।

ড্রেসডেনের বাঙালি বিশ্বজিৎ মল্লিকের উদ্যোগে এবং আরও কিছু বাঙালি পরিবার আর স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা আর উদ্দীপনায় এই দুর্গাপূজা পরিণত হয়েছিল এক মিলনমেলায়; যেখানে সব ধরনের মানুষ, জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে একত্রিত হয়েছিল।

দিনপঞ্জিকার নিয়ম মতো সকল ভক্তদের অংশগ্রহণে পূজা, আরতি, সিঁদুরখেলা ও প্রসাদ বিতরণ হয়েছে। একটি আপদমুক্ত ও শান্তি-সুখের পৃথিবীর জন্য মায়ের মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা ও অঞ্জলি জ্ঞাপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

দুর্গাপূজার পৌরোহিত্য করেছিলেন কেমনিটজ শহর নিবাসী শ্রী যুক্ত সৌম্যদীপ চৌধুরী। দুর্গাপূজার দিনগুলোতে প্রতি সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসব প্রাঙ্গণকে আর ও বর্ণময় করে তুলেছিল, গঙ্গা-পদ্মা মিশে গিয়েছিল এলবে তীরবর্তী ড্রেসডেন শহরে।

আর যাদের প্রত্যক্ষ সাহায্য ও অক্লান্ত পরিশ্রম ছাড়া এই দুর্গাপূজার আয়োজন সম্ভব হতো না তারা হলেন: অমিত, পাপিয়া, দীপিকা, অনিন্দ্য, তমাল, নিক্সন, অভিষেক, সকৃত, শুভ্র, শাওন, সুজিত, চৈতী, প্রণয়, সুস্মিতা, শিবশঙ্কর, দেবারতি, দেবদত্তা, রাধিকা, জুয়েল, সাদিয়া, আনজুম, জ্যোতির্ময়, পাফিন, নিতুই এবং অধ্যাপক সুশান্ত ব্যানার্জী।

এই দুর্গাপূজা সর্বাঙ্গীন সুন্দর করে তোলেন ‘ইন্ডিয়ান আসোসিয়েশন অব ড্রেসডেন’ এর সম্পাদক অভিনাশ এবং গ্লোবাল স্পাইসি ড্রেসডেন।

পূজা উৎযাপন পর্ষদ এখন থেকে প্রতি বছর আরও বেশি উদ্দীপনা ও উৎসবমুখরভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব আয়োজনের আহ্বান ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিজ্ঞাপন