চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জামালপুরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও স্বামীকে হত্যার অভিযোগ

জামালপুর সদরের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও তার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ করেছেন ধর্ষিতা ও তার পরিবার। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলে মামলা না নেয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামলা না নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, অভিযোগ দেয়া হলে মামলা নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

ধর্ষিতা ও তার পরিবার জানায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ঘর থেকে বের হন গৃহবধু । এসময় বাড়ির ভিতরে ওৎপেতে থাকা প্রতিবেশী ছানোয়ার, শাওন ও রফিজ উদ্দিন নামের ৩ যুবক তাকে বাড়ি থেকে ধরে ছানোয়ারের বাড়ির পেছনে একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গণধর্ষণের পর গাছের সাথে বেঁধে রাতভর শারীরিক নির্যাতন করে। পরে গৃহবধুর স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে গাছের সাথে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে তারা।

বিজ্ঞাপন

পুলিশের দাবি, খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষিতার স্বামীর মরদেহ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে বলে জানায় পুলিশ।

ধর্ষিতা গৃহবধুকে শারিরীক নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক হাসানুল বারী শিশির বলেন, গণধর্ষণের বিষয়ে এখনি নিশ্চিত কিছু বলা না গেলেও সেরকম আলামত রয়েছে।

এই বিষয়ে ধর্ষিতা গৃহবধু জানান, তাকে গণধর্ষণের পর গাছের সাথে বেঁধে পাশবিক নির্যাতন ও তার স্বামীকে হত্যার বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরও পুলিশ আমলে নেয়নি এবং মামলা নেয়নি।

জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সায়েমুজ্জামান মামলা না নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। অপমৃত্যুর মামলা রুজু করেছি। এই বিষয়ে এখনও আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ আসলে অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী কখনো ছাড় পাবে না।

Bellow Post-Green View