চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জনসন অ্যান্ড জনসনের দুই ডোজ ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু

দুই ডোজের করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জনসন অ্যান্ড জনসন।

সোমবার তাদের প্রস্তুতকৃত ভ্যাকসিনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বৃহৎ আকারে পরীক্ষামূলকভাবে এ ট্রায়াল শুরু করা হয়।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী এ প্রতিষ্ঠান তাদের এ গবেষণার জন্য ৩০ হাজার অংশগ্রহণকারীকে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম রয়র্টাস।

এর আগে সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে দেয়া এক-ডোজ পরীক্ষার সমান্তরালে এ পরীক্ষা চালানো হবে।

গবেষণার জন্য যুক্তরাজ্যে থেকে ৬ হাজার অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে কাজ করা হবে। বাকিদের নেয়া হবে যে দেশগুলোতে করোনা সবচেয়ে বেশি মারাত্মক আকাড় ধারণ করেছে সেই দেশগুলো থেকে নেয়া হবে।  যেমন-যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, কলম্বিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং স্পেন।

বিজ্ঞাপন

সাউদাম্পটন ইউনির্ভাসিটি হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইমিউনোলজি অ্যান্ড ইনফেকশিয়াস ডিজেস এর অধ্যাপক এবং ট্রায়ালের প্রধান সহযোগী শৌল ফাউস্ট বলেছেন, প্রথম ডোজে অংশগ্রহণকারীদের এডি২৬কোভ২ নামে বর্তমানে প্রচলিত ভ্যাকসিন দেয়া হবে।  এর ঠিক ৫৭ দিন পরে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে।

প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাঝামাঝি সময়ে ইতিবাচক ফলাফল আসায় অন্য টিকা দুই ডোজ প্রয়োজন হলেও জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার মাত্র এক ডোজ প্রয়োজন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছিল।

জে অ্যান্ড জে এক বিবৃতিতে বলেছে, গবেষণার মাধ্যমে সম্ভাব্য বর্ধিত উপকারিতার মূল্যায়ন এবং ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে প্রথম এবং দ্বিতীয় উভয় ডোজ দেয়া হবে।

অধ্যাপক ফাউস্ট এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা অনেকগুলি বিভিন্ন নির্মাতার কাছ থেকে বিভিন্ন ভ্যাকসিনের ট্রায়াল অনুসরণ করি এবং যুক্তরাজ্য এবং বিশ্বের জন্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবো বলে আশা রাখাছি।”

তবে এ গবেষণার জন্য অংশগ্রহণকারীদের নেয়া শেষ হবে ২০২১ সালের মার্চে আর ট্রায়াল শেষ হতে ১২ মাস লাগবে।