চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জনকণ্ঠ সম্পাদক-সাংবাদিকের শুনানির আদেশ ১৩ আগস্ট

দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আতিকুল্লাহ খান মাসুদ ও সাংবাদিক স্বদেশ রায়-এর আদালত অবমাননার বিষয়ে আপিল বিভাগের বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানি শেষে ১৩ আগস্ট আদেশ ঘোষণার তারিখ ধার্য করেছে আদালত।

আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের বেঞ্চে শুনানির শুরুতে, ১৬ জুলাই জনকন্ঠে প্রকাশিত উপসম্পাদকীয় এবং আইনের ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। এ বিষয়ে আপিল বেঞ্চের প্রশ্নের উত্তর দেন জনকন্ঠ সম্পাদক ও কলাম লেখকের আইনজীবী সালাউদ্দিন দোলন। এরপর বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেন তিনি। আইনজীবী সালাউদ্দিন দোলনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, ‘পালাবার পথ কমে গেছে’ শিরোনামে ১৬ জুলাই জনকণ্ঠ পত্রিকায় উপ-সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। যার লেখক ছিলেন স্বদেশ রায়।

ওই উপসম্পাদকীয় প্রকাশের ব্যাখ্যা চেয়ে ২৯ জুলাই সম্পাদক আতিকুল্লাহ খান মাসুদ ও কলাম লেখক স্বদেশ রায়ের বিরুদ্ধে আদালত আবমাননার রুল জারি করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল। ৯ আগষ্ট রুল শুনানির প্রথম দিনে ৪ বিচারপতি থাকলেও দ্বিতীয় দিনে শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে।

বিজ্ঞাপন

আদালতের নির্দেশে এটর্নি জেনারেল স্বদেশ রায়ের নিবন্ধ পড়ে শোনান। এর এক জায়গায় বলা হয়েছে, বিচারকদের একজনের সঙ্গে দেখা করেছেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের লোকেরা। তারা কোন পথে বিচারকের কাছে ঢোকে, আইএসআই ও উলফা পথে না অন্য পথে? কেন শেখ হাসিনার সরকারকে কোনো কোনো বিচারপতির এ মুহূর্তের বিদেশ সফর ঠেকাতে ব্যস্ত হতে হয়?

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিনের বিষয়ে নিবন্ধে যেভাবে মতামত এসেছে তা নিয়ে আপিল বিভাগ বলেন, এ ধরনের প্রতিবেদনে বিচার বিভাগের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হবে। এ বিষয়ে দুপক্ষ তাদের যুক্তি তুলে ধরেছেন।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে বিদেশ যেতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে বাধা দেওয়া হয়েছিলো কিনা এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে এটর্নি জেনারেল আদালতকে জানান, কোনো বিচারপতিকে বিদেশ যেতে বাধা দেওয়া হয়নি।

পরে একজন বিচারপতিকেই সাক্ষী হিসেবে হাজির করার জন্য জনকন্ঠের সম্পাদক ও পত্রিকার কলাম লেখকের পক্ষে আবেদন জানানো হয়। দুই পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে আপিল বিভাগ আদেশের তারিখ জানানোর পর দু’পক্ষ তাদের আইনী অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।এটর্নি জেনারেল বলেছেন, বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে সর্বোচ্চ আদালতে। এসময় কারও প্রতিবেদনে বিচার ব্যহত হলে তার দায় তাকেই নিতে হবে।

Bellow Post-Green View