চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জঙ্গি অর্থায়নসহ নানা অভিযোগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছয় এনজিও নিষিদ্ধ

জঙ্গি অর্থায়নসহ সরকারি নির্দেশনার বাইরে গিয়ে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেশি-বিদেশি ছয়টি বেসরকারি সংস্থার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো। এছাড়া আরও ২০টি সংস্থার গতিবিধি ও টাকার উৎসর দিকে গোপন নজরদারি করছে সরকার।

কক্সবাজারের টেকনাফে উখিয়া সীমান্তে অবস্থান করা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে দেশি-বিদেশি ১৬২টি বেসরকারি সংস্থা। এদের মধ্যে ১শ’ ১৭টি দেশি আর ৪৫টি বিদেশি। রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, বিনোদন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ ইতোমধ্যে ৭শ’ ৮০টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে এই সংস্থাগুলো।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র হিসাবে এখন পর্যন্ত এনজিওগুলো রোহিঙ্গা খাতে খরচের জন্য অনুদান এনেছে দুই হাজার ২শ’ ৪৪ কোটি টাকা। এখন প্রশ্ন, এই টাকার জোগান দিচ্ছে কারা? আর এই টাকা খরচ করা হচ্ছে কোন কোন খাতে? নজরদারি রাখতে গিয়ে বিভিন্ন সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহজনক লেনদেন এবং কর্মকাণ্ডের ইসলামিক এইড, ইসলামিক রিলিফ, মুসলিম এইড, নোমিজান অফতাবী ফাউন্ডেশন, চাষী কল্যাণসহ, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে এনজিও ব্যুরো।

আইন-শৃংখলা বাহিনী বলছে, ভ্রমণ ভিসা নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রবেশ করা অনেক বিদেশিসহ সন্দেহজনক কার্যক্রমে যুক্ত অনেককেই শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গতিবিধি জানতে বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নজরদারি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও ভবিষ্যত বিবেচনায় ইংরেজি ও নিজস্ব ভাষার বাইরে বাংলা না শেখাতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।