চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ছাড়পত্র পেলো টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই, ২ এপ্রিল মুক্তি

২৩ মার্চ সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’, ২ এপ্রিল দেশব্যাপী মুক্তি…

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশব ও কিশোরকাল নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’ মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

চলচ্চিত্রে সেন্সর বোর্ডে দ্বিতীয় দফায় সিনেমাটি প্রদর্শনের পর মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) দুপুরে মুক্তির সনদ প্রধান করে। সেন্সরের ভাইন্স চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন চ্যানেল আই অনলাইনকে খবরটি নিশ্চিত করে বলেন, ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।’

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সেন্সর বোর্ডের এই কর্মকর্তা জানান, সিনেমায় পাকিস্তানের রাজনীতিবীদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর একটি ভাষণ অতিরঞ্জিত মনে হয়েছিল। সেটা সংশোধন করে মুক্তির অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আর কোনো সমস্যা ছিল না। এখন আর মুক্তিতে কোনো আপত্তি নেই।

‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া’ ভাই সিনেমায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে পর্দায় দেখা যাবে শান্ত খানকে। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আলোচিত অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। এ সিনেমার মাধ্যমে শিশুশিল্পী থেকে নায়িকা চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন দীঘি। যাকে দেখা যাবে ফজিলাতুন্নেছা মুজিব রেনুর চরিত্রে।

বিজ্ঞাপন

শান্ত খান নিজেও সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, মঙ্গলবার সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছি। আজ (বুধবার) সনদ হাতে পেয়েছি। তাই মুক্তিতে আর সমস্যা থাকছে না। টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই আসছে ২ এপ্রিল সিনেমা হলে মুক্তি দেয়া হবে।  

গেল আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হওয়া টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়ে শেষ হয় সেপ্টেম্বরে। এর এক্সিকিউটিভ পরিচালক শামীম আহমেদ রনী। তবে সেন্সর সনদে পরিচালক সেলিম খানের নাম আছে। নির্মাতা রনী বলেন: এফডিসি, চাঁদপুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা সবমিলিয়ে ৩২ দিন শুটিংয়ের মাধ্যমে কাজ শেষ করেছি।

‘বসগিরি’ খ্যাত নির্মাতা রনী বলেন: সিনেমার প্রেক্ষাপট বঙ্গবন্ধুর শিশুকাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত। ২০২০ সালে এসে সেই সময় বা সেই পরিবেশ তুলে আনা অনেক চ্যালেঞ্জের কাজ। বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে শান্ত যথেষ্ট ভালো কাজ করেছে। সে নতুন হলেও ভালো করার যথেষ্ট চেষ্টা করেছে। আগের চেয়ে এতে তার অভিনয়ের ম্যাচিউরিটি এসেছে এটা দর্শক দেখলেই বুঝতে পারবে।

বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করা শান্ত খান বলেন, আমার সেরাটা দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। যেভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে সেভাবে করেছি। শুরু থেকে এ চরিত্রে কাজের ব্যাপারে খুব ভয়ে ছিলাম। শুটিং শুরুর দুমাস আগে থেকে পুরো টিম দফায় দফায় গ্রুমিং করি। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমার মধ্যে উত্তেজনার চেয়ে ভয় কাজ করছিল। জাতির পিতার চরিত্রে কাজ করতে পেরেছি এর চেয়ে প্রাপ্তির কিছু নেই।

চরিত্রটি নিয়ে শান্ত আরো বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন প্রতিবাদী। এ ছবিতে তার শৈশব ও কিশোরের দিনগুলো দেখানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতার চরিত্রে অভিনয় করা ছেলেখেলা নয়, হাজারগুণ কঠিন কাজ।

বিজ্ঞাপন