চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে আসতে পারে যে কোনো সিদ্ধান্ত

দেশের নিস্তরঙ্গ রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি কিছুটা উত্তাপ ছড়ানোর পর আলোচনায় ছাত্রলীগ। শনিবার আওয়ামী লীগের যৌথসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিতে পরামর্শ দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রচার হওয়ার পর ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এরকম কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তবে, অন্য নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে; প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রমে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অসন্তুষ্ট। শনিবার দলের মনোনয়ন বোর্ডের যৌথ সভায় ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে নিয়ে কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন উপস্থিত নেতারা।

অভিযোগের মধ্যে আছে কমিটিতে বিতর্কিতদের স্থান দেয়া, দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার কারণে মন্ত্রীদের উপস্থিতিতেও সময়মতো কর্মসূচিতে উপস্থিত না হওয়া, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক লেনদেন। সব শুনে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন নেতা বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

ছাত্রলীগ নেতাদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দলের অন্য নেতারা বলেন, ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড একদিনে সৃষ্টি হয়নি, ধারাবাহিকভাবে হয়েছে। অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনুসরণ করে পথ চলার পরামর্শ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা।

প্রতিক্রিয়া জানতে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলতে রাজি হননি ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ আলোচনায় এখন ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির ভবিষ্যৎ।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:

শেয়ার করুন: