চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ছাত্রলীগ-যুব মহিলা লীগকে সম্মেলন করতে নির্দেশ

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণে সম্মেলন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যুব মহিলা লীগ এং মহিলা আওয়ামী লীগকেও।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সাথে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে যৌথসভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এসব নির্দেশনা দেন।

Reneta June

এছাড়া জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ ইভিএম এ নির্বাচন চায়। আর কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কতটুকু সক্ষমতা আছে সেটা তাদের বিষয়।

বিজ্ঞাপন

জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপির দর কষাকষি করে কোন লাভ নেই। তিনি বিএনপিকে নির্বাচনে আসার অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, জনগণকে আস্থায় নিয়ে ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল নির্বাচন আমরা করব। জনগণের ইচ্ছায় ক্ষমতার পরিবর্তন হবে। বিএনপিকে আমরা বলব, এদিক-সেদিন দর কষাকষি না করে, নির্বাচনে আসুন।

‘ইভিএম পরের ব্যাপার আগে পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে ক্ষমতা হস্তান্তর তারপর নির্বাচন’ মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইভিএম পরের ব্যাপার কেন? আপত্তি কোথায়? পৃথিবীর বহু দেশে ইভিএমে নির্বাচন হচ্ছে। আপনারা কি নির্বাচনে কারচুপি করতে চান? কারচুপি জালিয়াতি এড়ানোর জন্যই এই ইভিএম ব্যবস্থার চেয়ে কোন আধুনিক কোন পদ্ধতি নেই। নির্বাচনে জালিয়াতি কারচুপি ঠেকানোর জন্য। এতে আপনাদের আপত্তি থাকবে কেন? পদত্যাগ কেন করতে হবে? কি কারণে আমরা কি অন্যায় করেছি?

ওবায়দুল কাদের বলেন, এই ধরনের কথা দেশের মানুষ ১৩ বছর যাবৎ শুনছে।গত নির্বাচনের সময়ও বিএনপি এবং তাদের জোটের হাঁকডাক শুনেছে। কিন্তু পানি ঘোলা করে অবশেষে তারা ডায়ালগে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী আহুত এবং নির্বাচনেও অংশ নিয়েছেন। এবারও সেই একই কথা মুখে মুখে বলছে। কিন্তু বিএনপি নেতারা ভাল করেই জানে, দলের অস্তিত্ব রক্ষায় তাদের আসতেই হবে। তাদের হাতে কোন বিকল্প নেই।

কুমিল্লায় এলডিপি মহাসচিবের উপর হামলার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই হামলার বিষয়ে আইনশৃংখলা বাহিনী যথাযথ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে কোন ধরনের অপকর্ম, কোন প্রকার অনিয়মের ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হয়নি।এখানেও কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এতে কোন সন্দেহ নেই।

এলডিপি মহাসচিব নিজ হাতে ছোঁড়া গুলিতে ক্ষমতাসীন সংগঠনের দুই জন কর্মীর গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলন, ফখরুল সাহেব এই বিষয়ে একটি শব্দও বলেননি।পুরোপুরি চেপে গেছেন। এটা কি রাজনৈতিক সততা? এটা কি গণতন্ত্র? এই ধরনের সত্য গোপনে হত্যা সন্ত্রাসের রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয়া এবং লালনের কাজটি তারা করে আসছেন তাদের জন্মলগ্ন থেকে। ক্ষমতায় থাকাকালেও তারা এটিই করেছেন।

সভায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।