চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চার বছরে ‘ধোনি- দ্য আনটোল্ড স্টোরি’: যেসব কারণে ছবিটি দেখা উচিত

মুক্তির চার বছর পূর্ণ করলো ‘ধোনি-দ্য আনটোল্ড স্টোরি’, যেসব কারণে দেখা উচিত সুশান্ত অভিনীত ছবিটি…

২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বলিউডে মুক্তি পায় প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুত অভিনীত জনপ্রিয় ছবি ‘এম এস ধোনি-দ্য আনটোল্ড স্টোরি’। মুক্তির চার বছর পূর্ণ হলো বুধবার। বিশেষ এই দিনটিতে সিনেমাটির পাশাপাশি প্রয়াত অভিনেতাকে বার বার স্মরণ করছেন তার ভক্ত এবং অনুরাগীরা।

সুশান্ত সিং রাজপুত অভিনীত ধোনির জীবনী নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি ছিল তার অভিনয় ক্যারিয়ারের মোড় ঘুড়িয়ে দেওয়ার মত একটি সিনেমা। যেখানে ধোনির চরিত্রে তার অভিনয় থেকে শুরু করে, সিনেমার চিত্রনাট্য এবং সিনেমার প্রত্যেকটি গানই মন ছুঁয়ে যায় দর্শকের। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কেন ‘এম এস ধোনি-দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ বার বার দেখার মত ছবি:

বিজ্ঞাপন

এম এস ধোনির চরিত্রে সুশান্ত সিং রাজপুত
বলিউডে নির্মিত অন্যতম জনপ্রিয় বায়োপিক ‘ধোনি-দ্য আনটোল্ড স্টোরি’। ভারতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে কেন্দ্র করে যে ছবিটি নির্মিত। যেখানে ধোনির চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। মূলত সুশান্তের নিখুঁত অভিনয়ের কারণেই ধোনির বায়োপিকটি জনপ্রিয় হয়েছিল বলেই সিনেমা বিশ্লেষকরা দাবি করেন।

বিজ্ঞাপন

ক্রিকেট জীবনের পাশাপাশি ধোনির ব্যক্তিগত জীবন কাহিনী
এম এস ধোনির বায়োপিকটি তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে কেন্দ্র করে নির্মিত হলেও এতে তার ব্যক্তিগত জীবনকেও বেশ সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে তার পরিবারের পাশাপাশি প্রেম কাহিনী এবং দুর্ঘটনায় প্রেমিকাকে হারানোর ঘটনাটিও তুলে ধরা হয়। যারা ধোনিকে পছন্দ করেন, এবং তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগ্রহ আছে, তাদের কাছে ছবিটি নিঃসন্দেহে ভালো লাগবে।

সুশান্তের চরিত্রের পাশাপাশি অন্যান্য চরিত্রগুলোর দারুণ অভিনয়
‘এম এস ধোনি-দ্য আনটোল্ড স্টোরি’র মূল সুশান্ত থাকলেও ছবিটির অন্যান্য চরিত্র গুলোর কোনটিই একটি অপরটির তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। হোক সেটি ধোনির বাবার চরিত্রে অভিনয় করা অনুপম খের কিংবা প্রেমিকা দিশা পাটানি অথবা কিয়ারা আদভানির চরিত্রটি। কিংবা বড় বোনের চরিত্রে ভূমিকা চাওলার অভিনয়ও মুগ্ধ করবে যে কাউকে।

ধোনির ক্রিকেট জীবনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত
ধোনির বায়োপিকের পুরাটা জুড়ে ছিল তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার গড়ে তোলার হাজারও গল্প। কতটা ধৈর্য ও নিষ্ঠার সাথে সে তার ক্যারিয়ার গড়েছিল তারই কাহিনী পুরো সিনেমাটি জুড়ে। শুধু তাই নয় ২০১১ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে ধোনির অধিনায়কত্ব কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তাও ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে।

সিনেমায় গানের জনপ্রিয়তা 
সিনেমার গান যে একটি সিনেমা হিট হওয়ার পেছনে কতটা অবদান রাখে তা বিশেষ ভাবে বলার কিছু নেই। সিনেমার গান দর্শকদের যতটা মন ছুঁয়ে যেতে পারে, ততটাই দর্শকদের সিনেমাটি দেখার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। ‘এম এস ধোনি-দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমাটি প্রত্যেকটি গানও তেমনই জনপ্রিয়। যেগুলো আজও শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে দেয়।