চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চাটমোহরে ২৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ করেছে ডুসাক

পাবনার চাটমোহর উপজেলার ২৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদরাসা, কারিগরি ও কলেজ) ১টি করে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব চাটমোহর (ডুসাক)। করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই সামাজিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

গত ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হাঁটি হাঁটি পা পা করে নানা চড়াই-উৎরাই পার হয়ে ১০০ বছরে পদার্পণ করে। এই উপলক্ষে “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষে কৃষ্ণচূড়ায় মুখরিত হোক চাটমোহরের প্রতিটি শিক্ষাঙ্গন” স্লোগানকে সামনে রেখে চাটমোহর উপজেলা পরিষদে শিশুপার্কে সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.সৈকত ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ২য় পর্যায়ে মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে চাটমোহর সরকারি কলেজে সকাল ১১ টায় ১০০ টি বকুল ফুল গাছ রোপণের শুভ উদ্বোধন করেন চাটমোহর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক ও চাটমোহর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল আলিম। দুপুর ১২ টায় সেন্ট রীটাস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মেরী মনিক,শিক্ষকবৃন্দ এবং ডুসাক এর সদস্য মোঃ আবুল হাসেম সেন্ট রীটাস হাইস্কুলের অডিটোরিয়ামের পেছনে ১ টি কৃষ্ণচূড়া ও অর্জুন গাছ রোপন করেন
এছাড়াও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তি উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার কাটাখালীতে ৫০ টি অর্জুন গাছ রোপণের শুভ উদ্বোধন করবেন সিনিয়র এএসপি চাটমোহর সার্কেল  সজীব শাহরিন

চাটমোহরের সাবেক ও বর্তমান ঢাবিয়ানদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে ‘প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মনে জাগুক নতুন ঢেউ, জাগ্রত হোক সুপ্ত প্রতিভা, চেতনা সৃষ্টি হোক সকল চাটমোহর বাসীর হৃদয়ে, পাশাপাশি মুজিব শতবর্ষে ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এই পৃথিবীকে আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য করে যাব’- এই দৃঢ় অঙ্গীকার করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহন করে আয়োজকরা।

বৃক্ষরোপণ উদ্বোধনীতে বক্তব্য রাখেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.সৈকত ইসলাম, এসি(ল্যান্ড) মোছাঃ শারমিন ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.আতিকুর রহমান আতিক, চাটমোহর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল আলীম,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ঢাবির নিয়মিত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা।

বিজ্ঞাপন