চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চলে গেলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান

প্রয়াত হলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

তার মৃত্যুর সংবাদটি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে নিশ্চিত করেছেন সরোজ খানের মেয়ে।

এর আগে গত ১৭ জুন মুম্বাইয়ের বান্দ্রার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সরোজ খানকে। মাঝে তার শারিরীক অবস্থা কিছুটা উন্নতও হয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তির পর তার করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়। সেখানে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তবে তার শ্বাসকষ্ট ছিল। সেখান থেকেই বুধবার রাত থেকে আবারও তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাত দু’টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বলিউডের অসংখ্য সুপারহিট সিনেমার আলোড়ন তোলা গানে- নৃত্য নির্দেশক বা কোরিওগ্রাফার ছিলেন সরোজ খান। বিশেষ করে ‘এক দো তিন’, ‘মেরে পিয়া ঘার আয়া’, ‘ডোলারে ডোলা’, ‘মার ডালা’ গানে তার নির্দেশনা ছিল অনবদ্য। বলিউডের তাবড় তাবড় অভিনেত্রীরা তাকে গুরু হিসেবে মানতেন। বর্তমান সময়কার জনপ্রিয় নারী কোরিওগ্রাফার ফারাহ খান, গীতা কাপুরও ছিলেন সরোজ খানের সান্নিধ্যে।

তবে তাঁর ক্যারিয়ারের পারদ ওপরে ওঠে শ্রীদেবী ও মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে কাজের পরই। ১৯৮৭ সালে ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’, ১৯৮৬ সালের ‘নাগিনা’, ১৯৮৯ সালে ‘চাঁদনি’, ১৯৮৮ সালে ‘তেজাব’ এবং ১৯৯০ সালে ‘থানেদার’ ছবি তাঁকে বলিউডে প্রতিষ্ঠা দেয়। ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘হাম দিল দে চুকে সানম’, ‘দেবদাস’, ‘জাব উই মিট’–এর মতো ছবির নাচের দৃশ্যও তাঁর নির্দেশনায় সফল হয়েছে। শ্রীদেবী থেকে মাধুরী দীক্ষিত, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন থেকে শুরু করে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ কিংবা কারিনা কাপুর খান, বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের সঙ্গে কাজ করেছেন সরোজ খান।

এছাড়াও তিনি ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বেশ কিছু টিভি রিয়ালিটি শোর বিচারক হিসেবেও দ্বায়িত্ব পালন করেছিলেন।

শেয়ার করুন: