চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চতুর্থ সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠছে রবিবার

স্বাধীনধারার চলচ্চিত্র নির্মাণকে উৎসাহ প্রদানে আয়োজিত সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবের চতুর্থ আসরের পর্দা উঠছে রবিবার (৫ জুলাই, ২০২০)। দশ দিনব্যপী এই উৎসব চলবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত আয়োজন করছে সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবের। তবে এবছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ভার্চুয়ালি বা অনলাইন ভিত্তিক হচ্ছে এই আয়োজন।

বিজ্ঞাপন

রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিবেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চলচ্চিত্র নির্মাতা মোর্শেদুল ইসলাম ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিঠু চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

এবারের উৎসবে ১১২ টি দেশ থেকে ৩০৬১ টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে নির্বাচিত ১০৯ টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। উৎসবের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র উৎসব বিশেষজ্ঞ প্রেমেন্দ্র মজুমদার।

জুরি বোর্ডে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নির্মাতা আশরাফ শিশির, ওয়াহিদ ইবনে রেজা, মোক্তাদির ইবনে ছালাম, অভিনেতা মনোজ কুমার, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র সমালোচক সাদিয়া খালিদ রীতি ও ভারতীয় চলচ্চিত্র সমালোচক সিদ্ধার্থ মাইতি।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি ইফতেখার আহমেদ ফাগুন জানান, দশ দিনব্যাপী উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি চলচ্চিত্রের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে অংশ নিবেন দেশ বিদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা, সমালোচক, লেখক, অভিনেতা ও অন্যান্য কলাকুশলীবৃন্দ।

আলোচনা অনুষ্ঠানগুলোতে উৎসবের জুরি সদস্যদের পাশাপাশি অংশ নিবেন বাংলাদেশি নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকির আহমেদ, নির্মাতা শামীম আখতার, নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, ভারতীয় নির্মাতা অর্ণব মিদ্যা, চলচ্চিত্র পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, ভারতীয় অভিনেত্রী অবন্তিকা বিশ্বাস, উর্মিলা মহন্ত, গায়িকা জুন চ্যাটার্জি, অভিনেতা সোহাম মজুমদার সহ বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, তুরষ্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মিশর, ব্রাজিল, পাকিস্তান, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও ভেনেজুয়েলা থেকে ৪০ জন চলচ্চিত্র নির্মাতা।

বিশ্ব চলচ্চিত্র, বিভিন্ন দেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রেক্ষাপট, মহামারী পরবর্তী চলচ্চিত্রের বিপণন ব্যবস্থা, নবাগত নির্মাতাদের চলচ্চিত্রের মানসম্মতা, চলচ্চিত্র সমালোচনার বর্তমান প্রেক্ষাপট, কৃষিখাতের উন্নয়ন ও জনসচেতনতা সৃষ্টিতে চলচ্চিত্রের ভূমিকা সহ আরও নানা বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।