চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে ভোটের ফল নির্ধারণ করবে জালালাবাদ ও ইপিজেড

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে জালালাবাদ ও ইপিজেড এলাকার ৩ লাখ ভোটার মেয়র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই এ দু’টি এলাকার ভোট পেতে মরিয়া প্রধান দুই মেয়র প্রার্থী। প্রচারে বেশি সময় এখানেই ব্যয় করছেন তারা

চট্টগ্রামের ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট দু’টি এলাকায়। একটি ২ নম্বর ওয়ার্ড জালালাবাদ। এর ভোটার প্রায় ৯০ হাজার। বড় ধরনের নির্বাচনী সংঘাত না হলেও চট্টগ্রামে গণসংযোগের সময় দু’টি হামলার ঘটনা ঘটেছে এ এলাকায়।

আরেকটি এলাকা গার্মেন্টস শ্রমিক ও ভাসমান ভোটার অধ্যুষিত ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ইপিজেড ওয়ার্ড। ভোটার ১ লাখ ৩০ হাজার। বিগত সিটি নিবার্চনের মতো এবারও তাই এ দু’টি এলাকার দিকে বেশি নজর প্রার্থীদের।

Advertisement

ত‌বে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী আজম নাসির উদ্দিন বলেন, তিনি প্রত্যেকটি এলাকাকে গুরুত্ত্ব দিয়ে গণসংযোগ চালাচ্ছেন। তার কাছে সকল এলাকার ভোটাররাই গুরুত্ত্বপূর্ণ। তিনি নিজে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন অথবা তার পক্ষ থেকে কেউ গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে।

বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনজুর আলমের পক্ষে তার ছেলে সাইফুল আলম বলেন, সবচেয়ে বেশি ভোটার অধ্যুষিত ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ইপিজেড ওয়ার্ডকে সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে তাদের নেতা কর্মীদের গণসংযোগ চালাতে বাধা দিচ্ছে, তাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে।

তিনি আরোও বলেন, তারা আশা করছেন নির্বাচনের দিন সেখানকার ভোটকেন্দ্রে প্রশাসন সক্রিয় থাকবে এবং নিরাপত্তা জোরদার করবে যাতে ভোটাররা নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারে।

ওয়ার্ড দু’টির মধ্যে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপিসমর্থিত। এবারও তিনি একক প্রার্থী। আওয়ামী লীগসমর্থক কাউন্সিলর প্রার্থী ২ জন। জালালাবাদ ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের। এবার তিনিসহ প্রার্থী ৩ জন। বিএনপিসমর্থক প্রার্থীও কয়েকজন।