চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ৭ জেলায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঝড়ো বাতাসে ভেঙে গেছে বাড়িঘর ও গাছপালা। পানির স্রোতে ভেসে গেছে মাছের ঘের।

নিহতদের মধ্যে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বেচ্ছাসেবী সৈয়দ শাহ আলম (৫৪), গলাচিপার পানপট্টির রাশেদ (৫), ভোলার চরকচ্ছারিয়ার মো. সিদ্দিক, রোবরহানউদ্দিনের রফিকুল ইসলাম (৩৫), পিরোজপুর মঠবাড়িয়ার দাউদখালি উপজেলার শাহাজান মোল্লা (৫৫) এবং আরো দুই জন। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের ২ নং পৌরসভার সালাউদ্দিন (১৬)।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও অজ্ঞাত নিহতদের তালিকায় কমলনগরের ১ জন, যশোরের চৌগাছায় ২ জন, বরগুনায় ১ জন এবং ঝিনাইদহে ১ জন রয়েছে।

নিহতরা নৌকা ও ট্রলার ডুবি, গাছ চাপা পড়ে, দেয়াল চাপা পড়ে এবং পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

বিজ্ঞাপন

আহতদের মধ্যে রয়েছেন বরিশালের হিজলা, পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশনের একজন করে।

আম্পানের প্রভাবে বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে উপকূলের ১০ লাখ মানুষ। নষ্ট হয়েছে অনেক এলাকার ফসলাদি ও প্রাণ হারিয়েছে গবাদি পশু।

এদিকে ‘আম্পান’ এখন স্থল নিম্নচাপের রূপ নিয়ে দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থান করছে। দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ বাংলাদেশ উপকূলের কাছাকাছি চলে আসার পর বুধবার সকালে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরেও ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছিল বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস।