চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গ্রাহকের বিরুদ্ধে গিয়ে এনওসি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে: মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, রবি আজিয়াটা লি.

সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে জাহিদ নেওয়াজ খানের পরিকল্পনা ও রাজু আলীম এর প্রযোজনায় ফাবলিহা বুশরা’র সাক্ষাতকারে চ্যানেল আই টু দ্য পয়েন্ট অনুষ্ঠানে কথা বলেন রবি আজিয়াটা লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।

প্রশ্ন: গেলো ২০ বছরে বিটিআরসি এর কাছে গ্রামীণ ফোন ও রবি’র কাছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার মত বকেয়া রয়েছে-এই বিষয়ে আপনি কি বলবেন?

বিজ্ঞাপন

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ: ২০ বছরের অডিট একসাথে করা এটা পৃথিবীর কোথাও এক্সামপল আছে কিনা? কেন করা হয়নি অডিট এটার অ্যাকাউন্টিবিলিটি বিটিআরসি এর উপরেই কিন্তু পড়ে। এটা নিয়ে কিন্তু কেউ কোয়েশ্চেন করছে না? কেন ওরা অ্যাকাউন্টেবল না? এই ধরণের একটা ডিলে করার জন্যে। যখন একজন অডিটর নিয়োগ করা হয়-তাকে অবজেক্ট করার কোন ক্ষমতা আমাদের নেই। যেটা ওনারা করবেন সেটা আমাদেরকে মেনে নিতে হবে। আপনি যদি অডিটরদের ব্যাক গ্রাউন্ডগুলো চেক করেন তাদের টেকনোলজি কোম্পানী অডিট করার কোন অভিজ্ঞতাই নাই। এমন অডিটরদের দেওয়া হয়েছে। যে কোন জিনিস অডিট করলে-সব অর্গানাইজেশনে অডিট হয়। অডিটে গিয়ে সুযোগ দেওয়া হয় যে, তোমার কোন বক্তব্য থাকলে এখানে তুলে ধরো। সেই সুযোগটা অডিটর আমাদেরকে দেয় নাই। এটলিস্ট আমাদের ক্ষেত্রে ওই সুযোগটাই দেওয়া হয়নি। যার ফলে অডিটর সাধারণত যেটা করেন, ১০ টা পয়েন্ট যদি রেইজ করে আমাদের বক্তব্যটা তারা শোনে তারপর ওখান থেকে একটা অংশ ড্রপ করে দেয়। আর কোন অংশে তারা কনভিন্স না হলে তারা বোর্ডের কাছে প্লেস করে। সেই ক্ষেত্রে আমাদেরকে সেই সুযোগটা দেওয়া হয়নি। তারা ডাইরেক্ট রিপোর্ট সাবমিট করে দিয়েছে বিটিআরসি’র কাছে। হ্যাঁ- বিটিআরসি এর কাছে যখন গেছে। হ্যাঁ- ইউ হ্যাড কাপল অব সেশন। ওই সেশনের মধ্যে আমরা কিন্তু লাইন বাই লাইন প্রত্যেকটি এরিয়াতে আমাদের কনসার্নগুলো তুলে ধরেছিলাম। যেটা খুব সিরিয়াসলি নেওয়া হয়নি- এন্ড মোর ইম্পট্যান্টলি- আসলে এটা যে ২০ বছরের অডিট করতে পারবে নাকি ৬ বছরের? বিভিন্ন আইনে কিন্তু ক্লিয়ারলি বলা আছে। ৬ বছরের বেশি কোন অডিট ক্লেম করা যায় না। আমাদের ডকুমেন্ট আকারেও দায়বদ্ধতা কিন্তু ৬ বছরের উপরে নাই। বিটিআরসি মে হ্যাভ ওন হ্যাভ দেয়ার এক্সপ্লেনশন। কিন্তু রিয়েলিটি হচ্ছে ৬ বছরের উপরে যেতেও পারে না। তাই সবকিছু মিলিয়ে যদি চিন্তা করে দেখি তাহলে বলবো সঠিকভাবে এটাকে ম্যানেজ করা হয়নি। এন্ড মোর ইম্পট্যান্টলি ডিসপুট কিন্তু দুইটা বডির সাথে হতেই পারে। এটা কি বিটিআরসি এর ফল্ট অথবা রবি’র ফল্ট তা কিন্তু বলা কঠিন।সেই জন্যে গ্লোবালি একটা প্রিন্সিপাল হলো আরব্রিট্রেটরের কাছে যাওয়া। যখন বিরোধ হয় বা পাড়াতে কোন গন্ডগোল হয় তখন আমরা কি করি? আমরা মুরুব্বির কাছে যাই বা পাড়ার যারা হর্তাকর্তা তাদের কাছে যাই। একটা সমাধান করার জন্যে যাতে নিউট্যালি সবার কথা শোনা হয়। আমরা কিন্তু অনেক দিন দেরী করেছি এই নিউট্যাল কাউকে দিয়ে আরবিট্রেশন করার জন্যে। এই জায়গায় আমার বোধগম্য নাই। কেন বিটিআরসি এই ব্যাপারে আসছে না? করলে কি অসুবিধা হতো? তাদের তো লিগ্যাল রাইট কিছুই নস্ট হতো না? সবকিছু মিলে আমরা খুব আশাহত। ফরেন ইনভেস্টরা এতো ইনভেস্ট করছে বাংলাদেশে। কিন্তু যদি তারা একটা আরবিট্রেশনেরও সুযোগ তারা না পায়। আমি পার্সোনালি রবি’র তরফ থেকে মনে করি- এটা আনফেয়ার ট্রিটমেন্ট করা হচ্ছে অপারেটদেরকে।

প্রশ্ন: একটা সার্টেন অ্যামাউন্ট ডিপোজিট না রাখলে এই ব্যাপারে বিটিআরসি এর সাথে কোন আলোচনা করা যাবে না?

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ : আসলে এই ধরণের টাকা চাওয়ার এখতিয়ার বিটিআরসি বা কোন আইনে এই রকম এখতিয়ার কারো নাই। একটা ডিসপুট হলে আমরা কি বলি? আমি আগে যে এক্সামপল দিলাম পাড়ায় কোন গোলমাল হলে যে, ভাই আগে টাকাটা ডিপোজিট করেন তারপরে আমরা কথা শুনবো কি হয়েছে? এটা কিন্তু প্রাকটিক্যাল বা লজিক্যাল কোন আরগুমেন্ট না। তারপরে আমাদেরকে যেভাবে ইনসিস্ট করা হলো- কয়েক মাস হয়ে গেলো যে, আমাদেরকে এই ধরণের ডিপোজিট না করলে আমরা ডিসকাশনে যেতে পারবো না।সো, বেসিক্যালি উই আর কমপেল টু গেটিং টু দ্যাট কাইন্ড অব অ্যারেঞ্জমেন্ট।তখন আমরা রেসপেক্টেড মিনিস্টার, ফাইন্যান্স মিনিস্টার, আইসিটি মিনিস্টার, এডভাইজার, বিটিআরসি এর চেয়ারম্যান এবং এনবিআর এর চেয়ারম্যান আমরা সবাই মিলেই একটা যেহেতু কম্প্রোমাইজ করতেই হয় সেই কারণে একটা অ্যামাউন্ট কিন্তু ডিপোজিটের জন্যে এগ্রি করেছিলাম।আর তখন কথা হচ্ছিল যে, আমরা কোর্টে যাব না। কোর্টের বাইরে এই জিনিসটা সেটেল্ডড করবো। দ্যাট ওয়াজ অলওয়েজ ইনটেনশন। বিভিন্ন সময় সমস্যা তো সমস্যা হয়। আমরা পরিবারের মত বিটিআরসি, এমওপিটি মিনিস্ট্রি এবং অপারেটররা একটা পরিবারের মত।সমস্যা হয় কিন্তু আমরা ডায়লগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করি। বাট এই ক্ষেত্রে সাম হাউ প্রচুর ডায়লগের পরেও এই সমস্যার ক্ষেত্রে একটা সাইড কিন্তু কম্প্রোমাইজ করছেই না। আমি বলবো- এই যে ২০০ কোটি টাকা, ৫০ কোটি বা ১৫ কোটি টাকা এই যে বিভিন্ন ফিগার ফ্লোট করছে ইটস এ কম্প্রোমাইজিং ডিল টু সট আউট সাইড অব দ্যা কোর্ট। কিন্তু এটাকে আবার কোর্টে নিয়ে যাওয়া হলো আপিলের মাধ্যমে তখনই কিন্তু ওই অ্যারেঞ্জমেন্ট আমরা করেছিলাম এগ্রিমন্টেটা করেছিলাম ওই স্কোপ আর থাকছে না। এটা বললে ভুল হবে যে আমরা দিতে রাজি হয়েছি। আসলে আমাদেরকে ডিপোজিট দিতে রাজি করানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রশ্ন: আদালতে যাওয়া এবং এনওসি বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে আপনি কি বলবেন?

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ: এই এনওসি টা দেওয়ার ক্ষেত্রে যেটা আমি মনে করি যে, আমাদের রেগুলেটরের প্রধান দায়িত্ব হলো- আমাদের গ্রাহকদের সেবার মান এনশিওর করা। এটা ফার্স্ট ইন ক্লজিং ইজ দ্যাট প্রিন্সিপাল। আমাদের যে এনওসিটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমি আর ইকুইপমেন্ট আনতে পারছি না। ডেটা ইউজেজ বেড়ে যাচ্ছে। কেউ যখন ব্যবহার করে-গেলো মাসের চেয়ে তার ব্যবহার এই মাসে বেড়ে যায়। এই বেড়ে যাচ্ছে কিন্তু আমি ক্যাপাসিটি দিতে পারছি না। কারণ আমি ইকুইপমেন্ট আনতে পারছি না। কাস্টমসের গুডস ক্লিয়ার করা হচ্ছে না। এতে ফার্স্ট সাফারার হচ্ছেন গ্রাহকরা। এছাড়া এটি আরও এগ্রাবেট করবে। বাংলাদেশে কিন্তু ৬ মাস লাগে একটা অর্ডার থেকে এক্সিকিউট করতে। সো, ওই সব কনসিডার করলে কিন্তু এর ইমপ্যাক্ট দিনকে দিন বাড়তে থাকবে। এখনো যদি এনওসি উইড্র করে তার ইমপ্যাক্টও কিন্তু অনেক দিন চলতে থাকবে। কাস্টমার থেকে কমপ্লেনগুলো এখনো ওই লেভেলে যায়নি। তাই এখনো সরকার ফিল করতে পারছে না। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি কমেপ্লেনের ট্রেন্ডটা বেড়ে যাচ্ছে। তাই আমি বলবো সরকার এবং পার্টিকুলারলি এ জায়গাটায় খেয়াল করছে না।আর রবি’র কথা স্পেসেফিক্যালি বলতে পারি আমাদের প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ডলারের ইনভেস্টমেন্ট নষ্ট হয়ে গেছে। এই বছরে এই ইনভেস্টমেন্ট আমি আর করতে পারবো না। এই ১৪০ মিলিয়ন ডলার যদি কাস্টমস এবং অন্যান্য টেন পারসেন্ট ডিউটি। সরকার এখান থেকেই কিন্তু ১২০ কোটি টাকা আয় করতে পারতো। আর ওই ক্যাপাসিটিগুলো যদি আমাদের নেটওয়ার্ক ডিউটিজ করতাম তা ব্যবহার করে রেভিনিউ মোর দ্যান ৫৩ পারসেন্ট কিন্তু সরকারকে ইমিডিয়েটলি দিয়ে দিচ্ছি। এটা একটা অংশ।তাই আমার মনে হয় এনওসি এর ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা জনগণ ও গ্রাহকের বিরুদ্ধে নেয়া হয়েছে। সরকারের ইন্টারেস্টের এগিনেস্টে নেওয়া হচ্ছে। আমাদের কথা যদি বলেন, আমাদের প্রফিটিবিলিটির অবস্থা কিন্তু খুব একটা খারাপ হয়নি। কারন ইনভেস্টমেন্ট না করে যদি আমি ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারি- ভাল। কিন্তু তা আমাদের প্রিন্সিপালের মধ্যে পড়ে না। কারণ এন্ড অব দ্যা ডে আমরা আছি গ্রাহকদের জন্যে। এটি একটি সমস্যা। আর কোর্টের ডিসিশন যেটা দিবে সেটা মেনে নিতে আমরা বাধ্য এবং তা আমরা মেনে নেবো। কিন্তু এখানে একটা বিষয় সেটা হলো- যখন আমরা কোর্টে গিয়েছিলাম। কোর্টে গিয়েছিলাম স্টে নেওয়ার জন্যে। এই যে এনওসিটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে- ইট ইজ ডেকটিমেন্টাল টু দ্যা পিপল অব দ্যা কান্ট্রি- ওই গ্রাউন্ডে কিন্তু আমরা স্টে নিতে গিয়েছিলাম। সেই স্টে নেওয়ার ক্ষেত্রেও বিটিআরসি আপিল করে। এই স্টে রিসিভ করবে অথবা রিজেক্ট করবে এই ধরণের একটা ডিসিশন আমরা এক্সপেক্ট করছিলাম। সেই ক্ষেত্রে টাকার কোন ডাইরেক্ট সম্পর্ক আমরা দেখি না। যদি এই ধরণের কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা হবে খুব হতাশার এবং তা ভালো এক্সামপল হবে না। আমরা আশা করছি এই রকম করা হবে না। লার্নেড জাজ আরও ভাল বুঝবেন। তবে এটি যদি করা হয় তাহলে দেশের জন্যে ব্যাড প্রেসিডেন্সি ক্রিয়েট হবে। তার মানে হচ্ছে কি? নেক্সট টাইম স্টে কন্টিনিউ করতে গেলে আমাকে টাকা দিয়ে স্টে কোড নিতে হবে কি হবে না? এই ধরণের নানা কোয়েশ্চেন আসবে যেটা কর্পোরেট ইন্ডাস্ট্রি এবং ফরেন ইনভেস্টরদের জন্যে ভাল নিউজ হিসাবে আসবে না।

প্রশ্ন: এই দ্বন্দ্বর ফলে অর্থনীতিতে কি কোন প্রভাব পড়বে?

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ: প্রভাব পড়বে কিছু ডাইরেক্ট আর কিছু ইন ডাইরেক্ট। ডিরেক্ট কিছু বললাম আগে। আমাদের রেগুলেটর আসলে এটার মূল্যায়ন করে না। আমাদের ইমপ্যাক্ট- আমরা বলি আমাদের ওয়েলথ ইকুলিবিরিয়াম বা ভারস্যাম্য নাই এই দেশে। বিগেস্ট ব্যালেস্ট, ইকুলিবিরিয়াম এনেছে পুওর ও রিচের মধ্যে টেলিকম সেক্টর। অনেক রিসার্চে দেখা গেছে- শুধু ফোন ব্যবহার করে টেন পার্সেন্ট প্রডাকটিভিটি ও ইনকাম বেড়ে গেছে। এই হিসাবে যদি চিন্তা করা হয়- এখন থ্রি জি ফোর জি’র যুগ।আমরা কিন্তু আর ওই সার্ভিসগুলো দিতে পারছি না। এর ক্ষেত্রে ইমপ্যাক্ট ডেফিনেটলি আসবে। শর্ট টার্মে বোঝা যাবে না- লং টার্মে প্রকট হবে। আর হলো ডাইরেক্ট ট্যাক্সের কথা বললাম। ইনভেস্ট আনতে পারলে লং টার্মে বেনিফিট পাওয়া যেতো। কাস্টমস ডিউটি ভ্যাট থেকে যে ইনকামগুলো আসতো-সরকার সব কিছুই লস করছে এবং মোর ইম্পর্টেন্টলি যেটা লস করছে আমাদের শেয়ার হোল্ডারদের কনফিডেন্স ইন বাংলাদেশ। এই ধরণের যখন একবার ব্যবহার করা হচ্ছে। কেন আমরা স্ট্রং স্ট্যান্ড নিয়েছি? আমাদের শেয়ার হোল্ডাররা কেন নিয়েছে? বড় কারণ হচ্ছে- একবার যদি বিটিআরসি করে- সেকেন্ড টাইম যে তারা করবে না, তার কোন গ্যারান্টি নাই। তাই আমাদের শেয়ার হোল্ডাররা স্ট্রং স্ট্যান্ড নিয়েছে যে, এইভাবে চলতে পারে না? এইভাবে তারা ইনভেস্টমেন্ট করতে পারবে না। ইন কেস অব গ্রামীণ ফোন তারা প্রফিটিবিলি রান করছে কিন্তু অন্য অপারেটররা তো তা পারছে না।

প্রশ্ন: কেন পারছে না?

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ: তা না করার বিভিন্ন কারণ আছে। মার্কেট একটা বড় রিজন। হাইড ট্যাক্স সেশন। সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স কান্ট্রির মধ্যে বাংলাদেশ একটা। বাংলাদেশে রেট হচ্ছে ওয়ান অব দ্যা লোয়েস্ট ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড। লোয়েস্ট রেট হাইয়েস্ট ট্যাক্সসেশন। লোকে বলে আমরা হাওয়া বিক্রি করে ব্যবসা করি। এই হাওয়া হলো- স্প্রেকট্রাম।এই স্প্রেকট্রাম মোস্ট এক্সপেনসিভ ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড। ’র ম্যাটেরিয়াল মোস্ট এক্সপেনসিভ। যেটা সরকারের হাতে।ট্যাক্স ওয়ান অব দ্যা হাইয়েস্ট। রেট হলো ওয়ান অব দ্যা লোয়েস্ট । এই কম্বিনেশনে প্রফিট্যাবল হওয়া খুবই কঠিন। অরিজিনালি যে লাইসেন্স আমরা পেয়েছিলাম। আমরা কিন্তু আইএসপি ব্যবসা করতে পারতাম। আইজিডাব্লিউ, আইসিএক্স, টাওয়ার, ফাইবার, হোমস- এই সব ব্যবসা আমাদের স্কোপে ছিল।আমাদের সব কিছু খুলে খুলে বিভিন্ন জায়গায় দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। চোখ, কান, নাক ও মুখের মত খুলে একেকটা একেক জায়গায় দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেটা ট্যাক্সের মধ্যে ফিফটি থ্রি ফিফটি ফোর পার্সেন্টের মধ্যে যেটা আসেনি- ওইটা কিন্তু রবির ক্ষেত্রে প্রায় ১৯-২০ পারসেন্ট অফ আওয়ার গোজ ইনটু- এই যে ছোট ছোট লাইসেন্স তৈরী করা হয়েছে। ওই জায়গায় টাকা চলে যাচ্ছে। এখন যদি আপনার চিন্তা করেন দেখেন ১০০ টাকার মধ্যে যদি আমার ৬৯-৭০ টাকা রেগেুলেটেড কস্টই দিয়ে দেওয়া হয় তাহলে ইনভেস্টমেন্টের টাকা আমরা কোথা থেকে রিকভার করবো? সো, সোজা কথা- ইটস নট এ সাসটেইনেবেল বিজনেস। যার যথেষ্ট ইন্ডিকেশন দেখছি-কোন ফরেন ইনভেস্টর কিন্তু এই সেক্টরে আর ইনভেস্ট করতে আসছে না।