চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গ্রানাইটেও সাকিবের আগ্রাসন

বোলিং মেশিনে এমনিতেই গতি বেশি থাকে। সাকিব আল হাসান চাইলেন নিজেকে আরও কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সেন্টার উইকেটে গ্রানাইটের ওপর বলের গতি বাড়িয়ে নিলেন। ব্যাটিং অনুশীলনের জন্য। এখানেও দেখালেন দুর্দান্ত আগ্রাসন।

কোমর সমান উচ্চতার বল একটিও ছাড়েননি সাকিব। সামনের পায়ে ভর করে লং অফ, লং অন দিয়ে মেরেছেন একের পর এক ওভার বাউন্ডারি। সাজান বড় শটের পসরা। বাউন্সারেও চেষ্টা করেছেন বাউন্ডারি হাঁকাতে।

বিজ্ঞাপন

নির্বাসন কাটিয়ে ফেরা সাকিবের এমন রূপ দেখে মুগ্ধ সবাই। উপস্থিত ক্রীড়া সাংবাদিকদের অনেকেই বলাবলি করছিলেন, ব্যাটসম্যান সাকিব ফিরেছেন আগের চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়ে।

অধিকাংশ বলই লেগেছে ব্যাটের সুইটপার্টে। ব্যাটের সঙ্গে বলের মিতালির পর আওয়াজ যেন সুর ছড়াচ্ছিল স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে! ২০ মিনিটের ছোট্ট সেশন। টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টের আগে সাকিবরে প্রস্তুতি তাতেও আদর্শই বলা যায়।

বিজ্ঞাপন

বিদেশ সফর থাকলে সাধারণত বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা উইকেটে গ্রানাইট বসিয়ে অনুশীলন করেন। গ্রানাইটে বল পড়লে সেটির উচ্চতা বেশি থাকে। দেশের বাইরের বাউন্সি উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এই পদ্ধতিতে অনুশীলন খুবই সহায়ক।

অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিদেশের মাটিতে খেলা নেই। করোনা বিরতি কাটিয়ে আসছে জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে হোম সিরিজ। সেটি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে টাইগাররা। সাকিব এখন নিজেকে প্রস্তুত করছেন ঘরোয়া টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্ট বঙ্গবন্ধু কাপের জন্য। ২৪ নভেম্বর যেটি মাঠে গড়াবে।

এক বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষে অনুশীলনে ফেরা সাকিব দ্বিতীয় দিনে মিরপুরে হাজির হন সকাল ১০টায়। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের ইনডোর সংলগ্ন আউটার মাঠের নেটে অন্তত একঘণ্টা ব্যাটিং অনুশীলন করেন।

পরে মূল মাঠে এসে বোলিং মেশিন ও গ্রানাইটে করেন ২০ মিনিটের একটি সেশন। যেভাবে আগ্রাসন চালিয়েছেন, দেখে মনেই হয়নি কিছুক্ষণ আগেও নেটে ঘণ্টাখানেক খেলে এসেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ইয়াসিন আরাফাতের বল।