চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার চুরির ঘটনায় ৭ জন কারাগারে

আসাদুজ্জামান বাবুল: গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) থেকে কম্পিউটার চুরির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার সাতজন হলেন: বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষা বর্ষের ছাত্র ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের বিল্লাল শরীফের ছেলে মাসরুল ইসলাম পনি শরীফ (২৩), একই উপজেলার বরফা শেখপাড়ার আবুল হোসেন শেখের ছেলে আ. রহমান সৌরভ শেখ (১৯), বরফা মধ্যপাড়ার আইয়ুব শেখের ছেলে হাসিবুর রহমান ওরফে শান্ত ওরফে কাকন (১৯), বরফা গ্রামের কামাল পাশা মিনার ছেলে নাইম উদ্দিন (৯), কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার ইন্দ্রাকচর গ্রামের মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া (৪৫), ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানার চোরখাই গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে হুমায়ুন কবির (২৪) ও মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বিশমপুরদী গ্রামের সালাম হাওলাদার ছেলে নাজমুল হাসান (১৯)।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, ৭ জনের মধ্যে দুলাল ও কবিরকে চোরাই ৩৪টি কম্পিউটাসহ ঢাকার ক্রিস্টাল ইন হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রযুক্তিগত সহায়তায় ঢাকা, গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের অন্য চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুরির ঘটনায় সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঈদের ছুটির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পেছন দিকের জানালা ভেঙে ৪৯টি কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ১০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. প্রফেসর নূরউদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। একইসঙ্গে ১৯ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এর আগেও চার দফায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেড় শতাধিক কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই মিজানুর রহমান শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চুরির ঘটনায় আটক চোরদের শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত ২০ জুলাই থেকে ২৭ এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ল্যাব থেকে ৪৯টি কম্পিউটার চুরি হয়।