চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গৃহহীন মানুষদের জন্য যুবলীগ আশ্রয় কর্মসূচি চালিয়ে যাবে: শেখ পরশ

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, যতদিন দেশে একজন গৃহহীন মানুষ থাকবে ততদিন যুবলীগ আশ্রয় কর্মসূচী চালিয়ে যাবে। 

বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ঘর দাতা ও গ্রহীতাদের নামের তালিকা ঘোষণা করে এসব কথা বলেন। যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিভিন্ন জেলায় গৃহহীন পরিবারের মাঝে ২২টি ঘর হস্তান্তর করা হয়।

আশ্রয় প্রকল্পের ঘরের তালিকা ঘোষণার পরে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার গৃহহীনদের গৃহদানের অনুসরণে এই কর্মসূচি। যুবলীগের আগে কোন রাজনৈতিক সংগঠন এই রকম যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়নি। আমি একটু খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি কোথাও দেখি নাই কোন সংগঠন এইভাবে গৃহহীন মানুষের জন্য ঘর তৈরি করে দিয়েছে। সংগঠনের তরফ থেকে এই প্রথম বাংলাদেশে যুবলীগ এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। অনেকে মনে করছেন এটা জাতীয় উন্নয়নে এমনকি এসডিজি উন্নয়নেও প্রভাব ফেলবে। এটা মানুষের জীবন মান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী একাধিক কারণে ভীষণভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। একদিকে আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী, অন্যদিকে স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ পূর্তি। “স্বাধীনতা” ও “বঙ্গবন্ধু” শব্দ দুইটি একে অপরের পরিপূরক আমাদের কাছে। বঙ্গবন্ধু ছাড়া স্বাধীণতা শুধু সম্পূর্ণ নয়, অসম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা, আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা ও দূরদর্শীকতার কারণে আমরা ১৩ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছি। তার নেতৃত্বে আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুও চেয়েছিলেন একটা ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে সমাজ ব্যবস্থা গঠন। যেই সমাজ গঠনে বাংলার যুবসমাজ একাধারে কারিগর হিসাবে ভূমিকা রাখবে এবং একই সাথে সমাজ ব্যবস্থার রক্ষক হিসেবেও ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, আমার বাবা শেখ ফজলুল হক মণি’কে নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে অত্যন্ত গর্ববোধ করি। গর্ববোধ করি প্রথমত একারণে যে তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন অন্যতম সংগঠক, মুজিব বাহিনীর প্রধান। তিনি ৬ দফাসহ ৬০ এর দশকের সকল আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, জেল খেটেছেন। দ্বিতীয়ত এবং সর্বোপরি, তিনি বীরের বেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সাথে চলে গেছেন। তিনি তার ৩৫ বছরের জীবনে বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সৈনিক হিসাবে মাথা উঁচু করে হেঁটেছেন। এখনো আমরা তাকে বীরের বেশেই কল্পজগতে বিচরণ করতে দেখি। এখানেই আমাদের সান্ত¡না। এখানেই আমাদের শক্তি।

এসময় কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন