চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গুগলিতে নাজেহাল ব্যাটসম্যানরা, হতাশার হার

প্রথম ওয়ানডের ছবিটাই দেখা গেল টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরুর ম্যাচে। ডানেডিনের মতোই হ্যামিল্টনে ব্যাটিংয়ে অসহায়ত্ব। লক্ষ্যটা খুব বড় হলেও লড়াই প্রত্যাশিত ছিল। সেডন পার্কের উইকেট ছিল রানপ্রসবা। ফরম্যাট বদলালেও ভাগ্য বদলাল না বাংলাদেশের। প্রথম টি-টুয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে মাহমুদউল্লাহদের হার ৬৬ রানে।

টস জিতে আগে ব্যাট করে কিউইরা তোলে ৩ উইকেটে ২১০ রান। বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুর বিপর্যয়ের পর ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রানে যায়। তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি মঙ্গলবার নেপিয়ারে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ দলে নেই কোনো লেগ স্পিনার। ইশ সোধির গুগলিতে যেভাবে নাজেহাল হলেন ব্যাটসম্যানরা, দেখলে মনে হবে লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে নিউজিল্যান্ডে না নিয়ে ভুলই করেছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট!

সোধি ৪ ওভারে ২৮ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। সবকটি উইকেটই নিয়েছেন গুগলিতে। ব্যাটিং দেখে মনে হয়েছে অনেকদিন গুগলি খেলার অভ্যাস নেই সৌম্য, মিঠুন, মাহমুদউল্লাহদের।

হতাশাজনক ব্যাটিং পারফরম্যান্সের দিনে উল্লেখ করার মতো রান এসেছে তিন তরুণের ব্যাটে। ওপেনার নাঈম শেখ ২৭, আফিফ হোসেন ধ্রুব ৪৫ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে।

৫৯ রানে ৬ উইকেট হারানো দলকে কিছুটা সম্মানজনক সংগ্রহে নিয়ে যান আফিফ ও সাইফউদ্দিন। সপ্তম উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ৬৩ রান।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেট হারিয়ে তোলে ২১০ রান। ডেভন কনওয়ে ৫২ বলে ৯২ ও গ্লেন ফিলিপস ১০ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

বিজ্ঞাপন

অভিষিক্ত উইল ইয়ং ফিফটি তুলে (৫৩) মেহেদী হাসানের শিকার হন। ইয়ং ও কনওয়ে তৃতীয় উইকেটে ১০৫ রানের জুটি গড়ে দলকে এনে দেন বড় পুঁজি।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ২০৪ রান। ২০১৩ সালে মিরপুরে দুইশ পেরিয়েছিল তারা। জবাবে বাংলাদেশ তুলেছিল ১৮৯ রান। নিজেদের মাটিতে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের দুইশ পেরোনো পুঁজি আজই প্রথম। আর কিউইদের দেশে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১৬৭ রানের।

আন্তর্জাতিক অভিষেকে বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ দারুণ বোলিং করলেও উল্টো রথে হেঁটেছেন তরুণ পেসার শরিফুল ইসলাম।

নতুন বলে শুরুটা করেছিলেন নাসুম। প্রথম ওভারেই নিউজিল্যান্ডের অভিষিক্ত ফিন অ্যালেনকে শুন্য রানে বোল্ড করে এনে দেন ব্রেক থ্রু। ওই ওভারে কিউইরা তুলতে পারে মাত্র ১ রান।

পরে আরেক ওপেনার মার্টিন গাপটিলকেও ফেরান নাসুম। কঠিন কন্ডিশনে শুরুর দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার এ স্পিনারই। ৩ ওভারে দেন মাত্র ২০ রান। ৪ ওভারে ৩০ রান খরচ তার ২ উইকেট নিতে।

বিপরীত চিত্র শরিফুলের বেলায়। হ্যামিল্টনে টি-টুয়েন্টি অভিষেকে নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের সমীহ আদায় করে নিতে পারেননি ১৯ বর্ষী পেসার। ৪ ওভারে দেন ৫০ রান।

শুরুতে ১১.৪ ওভারে (৭০ বল) নিউজিল্যান্ড তোলে ১০০ রান। পরের ১১০ রান তারা যোগ করে মাত্র ৫০ বলে।