চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গার্মেন্টস শিল্পে নারী শ্রমিক কমছে: সিপিডি

দক্ষতায় এগিয়ে থাকার পরও গার্মেন্টস শিল্পে নারী শ্রমিক কমছে, সিংহভাগ কারখানায় এখনো ট্রেড ইউনিয়ন চালু হয়নি। তবে নারী এবং পুরুষ শ্রমিকের মধ্যে বেতন-বৈষম্য কমেছে, প্রায় একেবারেই বন্ধ হয়েছে যৌন হয়রানি।

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি পরবর্তী এক গবেষণায় এই চিত্র পেয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ- সিপিডি।

দুই বছর ধরে করা গবেষণায় সিপিডি বলছে, ভবিষ্যতের নিরাপদ পোশাক শিল্পের জন্য মালিকদের মতো বিদেশি ক্রেতাদেরও স্বদিচ্ছা থাকতে হবে।

২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর থেকে তৈরি পোশাক শিল্প নিয়ে কাজ করে আসছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ- সিপিডি। সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক ডক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের নেতৃত্বে ২শ’ ২৬টি কারখানার ২ হাজার ৩শ’ শ্রমিকের মতামত নিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ হলো বৃহস্পতিবার।

বিজ্ঞাপন

২০১৬ সালে ৯টি সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সংগ্রহ করা তথ্য নিয়ে তথ্য ভাণ্ডারও তৈরি করেছে সিপিডি।

প্রায় ৪ হাজার কারখানার ৩৬ লাখ শ্রমিকের তথ্য বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি বলছে, তৈরি পোশাক শিল্পের ৩৬ লাখ শ্রমিকের মধ্যে নারী ৫৩ শতাংশ, আর পুরুষ শ্রমিক ৪৭শতাংশ। তবে বেশি বেতনের পদে নারীদের অংশগ্রহণ এখনও অনেক কম। সাড়ে ৯৭ শতাংশ কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন নেই।

আইনের বাস্তবায়ন হলে মজুরি নিয়ে অসন্তোষ হতো না বলে মনে করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি।

সিপিডির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান শ্রমিকদের প্রতি গার্মেন্টস মালিকদের এবং মালিকদের প্রতি ক্রেতার ন্যায্য বিচারের পরামর্শ দেন।

বিজ্ঞাপন