চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গভর্নর, দুদক ও এসইসি চেয়ারম্যানের বক্তব্য শুনবেন হাইকোর্ট

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যানের বক্তব্য শুনবেন হাইকোর্ট।

আগামী ৯ মার্চ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তাদেরকে মতামত দিতে মঙ্গলবার আদেশ দিয়েছেন বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে পাঁচ লাখ টাকা ও তার বেশি টাকার ঋণ খেলাপি ৫১ জন হাইকোর্টের তলবে আজ হাজির হন। তাদের  মধ্যে ২ জন আদালতে বক্তব্য রাখেন।

বিজ্ঞাপন

তবে আদালতের আগের আদেশ অনুযায়ী আজ ১৪৩ জন ঋণখেলাপির হাজির না হওয়ায় হাইকোর্ট বলেন, ‘আদালতের তলবে যারা আজকে আসেননি তাদের আরেকবার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে তারা আদালতে হাজির না হলে প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করে তাদের কোর্টে হাজির করা হবে।’

এর আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে ৫ লক্ষ বা তার বেশি টাকা নেয়া ঋণ খেলাপি ২৮০ জনকে তলব করে গত গত ২১ জানুয়ারি আদেশ দেন হাইকোর্ট। তাদের পর্যায়ক্রমে আদালতে হাজির হয়ে খেলাপি ঋণের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। সে অনুযায়ী আজ ঋণ খেলাপি ৫১ জন হাইকোর্টে হাজির হন।

ধারাবাহিক লোকসানে থাকা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং ২০১৪ সালের পর থেকে আমানতকারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি। এরপর ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই থেকে দেশের পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ হয়। এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা বোর্ড ভেঙে নতুন বোর্ড গঠন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতেও প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত বছরের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠানটি অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এমন দৈন্যদশায় পড়া এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের আমানতের টাকা ফেরত দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এক পর্যায়ে পিপলস লিজিংয়ের ভুক্তভোগী কয়েক আমানতকারীরা টাকা ফেরত পেতে হাইকোর্টেও আকুতি জানায়।