চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৩ জনের মৃত্যু

নতুন শনাক্ত ৭২০১

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৪০১তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৮৩ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৮২২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৫২৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ৩৪ হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় ৭ হাজার ২০১ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৫৯ হাজার ৬৩৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখ ৭৮ হাজার ১৯৭টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ লাখ ৩৭ হাজার ৮৩৩টি নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৫৭ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৫২৩ জনসহ মোট ৫ লাখ ৮১ হাজার ১১৩ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৮৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৫৪ জন পুরুষ ও ২৯ জন নারী। তাদের ৭৪ জনের হাসপাতালে, ৫ জনের বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে আর মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে ৪ জনকে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা নয় হাজার ৮২২। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৩৩৩ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং ২ হাজার ৪৮৯ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৮৩ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব ৪ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ১১ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৬ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৫২ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৫৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ জন, খুলনা বিভাগে ৪ জন, বরিশাল বিভাগে ২ জন, সিলেট বিভাগে ২ জন ও রংপুর বিভাগে ১ জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৩ কোটি ৬৬ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৯ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১০ কোটি ৯৯ লাখের বেশি।