চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

খোঁজ মিলল রোনালদোকে বার্গার খাওয়ানো সেই নারীর

তার জীবনের হারিয়ে যাওয়া তিন নারীকে খুঁজতে চেয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ব্রিটেনের এক টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাতকার দিতে গিয়ে তিনি মনের কথা ফাঁস করেছিলেন। ছোটবেলায় হারিয়ে যাওয়া সেই তিনজনের একজনকে খুঁজে পাওয়া গেছে সেই সাক্ষাতকারের পরেই।

রোনালদোর জীবনের আবেগ ভরা সেই ঘটনা এই মুহূর্তে ভাইরাল নেট দুনিয়ায়। অনেক রোনালদো ভক্তের চোখে যা পানি এনে দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

‘আই টিভি’তে দেয়া সাক্ষাতকারে রোনালদো বলেছিলেন, ‘যখন আমি ১১-১২ বছরের ছিলাম, আমাদের সেরকম অর্থ ছিল না। ভালোভাবে খাওয়াও হত না। সেই সময় লিসবনে থাকতাম খেলার জন্য। প্রতি তিন মাসে মাদেইরা যেতাম বাড়ির লোকের কাছে। সময়টা আমার জীবনের খুব কঠিন সময় ছিল। লিসবনে যে স্টেডিয়ামে থাকতাম, তার কাছেই ছিল একটা ম্যাকডোনাল্ডসের দোকান। আমরা প্রতিদিন রাত সাড়ে দশটা-এগারোটা নাগাদ চলে যেতাম ম্যাকডোনাল্ডসের পেছনের দরজায়।’

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার এরপর যোগ করেন, ‘ওই দোকানের পেছনের দরজায় নক করতাম। জিজ্ঞাসা করতাম, কোনো বার্গার কি পড়ে আছে?’

সেই সময় রোনালদো ও তার কয়েকজন বন্ধুর জীবনে ত্রাতা হয়ে এসেছিলেন ম্যকাডোনাল্ডসের তিন নারী। রোনালদোর ভাষায়, ‘এডনা এবং আরও দু’জন মেয়ে অসাধারণ ছিল। আমি পরে ওই তিনজনকে কখনো খুঁজে পাইনি। পর্তুগালে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছিলাম, তারাও সন্ধান দিতে পারেননি। ওই ম্যাকডোনাল্ডসও বন্ধ হয়ে গেছে। এই সাক্ষাতকারের সৌজন্যে যদি তাদের খুঁজে পাওয়া যায়। ওদের আমার লিসবন বা তুরিনের বাড়িতে ডিনারে আমন্ত্রণ জানাতে চাই।’

রোনালদোর আশা পূর্ণ হল মাত্র দিন তিনেকেই। ওই তিন নারীর মধ্যে একজনের সন্ধান পাওয়া গেছে। পাওলা লেকা নামের সেই নারী পর্তুগালের এক মিডিয়ায় বলেছেন, ‘সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিন ক্রিস্টিয়ানোর হাতে হ্যামবার্গার তুলে দিয়েছিলাম। এই গল্প আমার ছেলের কাছে করলেও সে বিশ্বাস করত না। কিন্তু আমার স্বামী জানে, রাতে আমাকে আনতে গিয়ে অনেকদিন সেও দেখেছিল রোনালদো ও তার বন্ধুদের। আর যে ক’জন আসত, তার মধ্যে রোনালদোই সবচেয়ে ভীতু শান্তশিষ্ট ছিল।’

পাওলা আরও বলেন, ‘রোনালদো যে কথাগুলো বলেছে, তাতে ওর ভদ্রতার পরিচয়ই পাওয়া যায়। আমি রাজি ওর আমন্ত্রণ রক্ষা করতে। ওর সঙ্গে ডিনারের ফাঁকে পুরোনো দিনের গল্পও হবে।’

Bellow Post-Green View