চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

খেলোয়াড়দের বেতন বৃদ্ধিতে বার্সার নতুন ইতিহাস

খেলোয়াড়দের বার্ষিক বেতন দেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খরচ করা ক্লাব এখন বার্সেলোনা। ইতিহাসের প্রথম ক্লাব হিসেবে খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা দিয়ে ব্যয় ৫০০ মিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়েছে কাতালানরা। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে পেশাদার অডিট সংস্থা কেপএমজি।

২০১৮ সালে সবমিলিয়ে খেলোয়াড়দের ৪২% বেতন বাড়িয়েছে বার্সা। ফলে ক্লাবের মোট ব্যয় হয়েছে ৫৬২ মিলিয়ন ইউরো।

গত বছর উসমান ডেম্বেলে ও ফিলিপে কৌতিনহোর পেছনে ২৪৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে কাতালান জায়ান্টরা। আরও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের বেতন বাড়িয়ে নতুন চুক্তি করেছে।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের খবর অনুযায়ী বাড়ানোর পর লিওনেল মেসির সাপ্তাহিক বেতন এখন ৫ লাখ ৬৫ হাজার ইউরো। তাছাড়া ২০১৭’র নভেম্বরে করা চুক্তির পর সাইনিং বোনাস হিসেবে তিনি পান আরও ৫২ মিলিয়ন ইউরো।

ইউরোপের আটটি লিগের বার্ষিক বেতন নিয়ে কেপিএমজির সঙ্গে কাজ করেছে ডাচ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ফুটবল বেঞ্চমার্ক’। তাদের গবেষণায় উঠে আসা তথ্যে দেখা যাচ্ছে, বার্সার পর বেতন-ভাতায় বেশি খরচ করা দল ফ্রান্সের পিএসজি। গত বছর প্যারিস সাঁ সাঁ খরচ করেছে ৩৩২ মিলিয়ন ইউরো। তাদের বেতন বৃদ্ধি হার গত বছরের চেয়ে ২০% বেশি।

বার্সেলোনা এবং পিএসজির নাম থাকলেও এই তালিকায় নামই আসেনি রিয়াল মাদ্রিদের। অবশ্য গত মৌসুমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে বিক্রি করা ছাড়া বড় কোনো রিক্রুট বা অন্যদের বেতন বাড়ানোর খবর শোনা যায়নি।

বিপরীত চিত্র ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে। বিশেষ করে ম্যানচেস্টার সিটি, যারা খরচের জন্য দেদারহস্ত। গত বছর খরচ না বেড়ে বরং সিটিজেনদের কমেছে ৫%।

যদিও কেপিএমজি প্রতিবেদন অনুযায়ী পেপ গার্দিওলার স্কোয়াডই সবচেয়ে বেশি দামী। ম্যানসিটির পুরো দলের মূল্য ১.১৮ বিলিয়ন ইউরো।

বিশ্বের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় নেইমার। রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সা ছেড়ে পিএসজিতে গেছেন তিনি। কিন্তু গত এক বছরে তার বেতন বেড়েছে সাত মিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ, এখন তার মূল্য হয়েছে ২২৯ মিলিয়ন ইউরো। ব্রাজিলিয়ান তারকার পেছনে আছেন পিএসজিতে তার সতীর্থ ও বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি তরুণ কাইলিয়ান এমবাপে (২১৫ মিলিয়ন) এবং বার্সায় তার সাবেক সতীর্থ মেসি (২০৩ মিলিয়ন)।