চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

খুলনাকে উড়িয়ে দিল চট্টগ্রাম

কাগজে-কলমে শক্তিধর জেমকন খুলনাকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে ভারসাম্যপূর্ণ দল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। ৮৭ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়ায় লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের ওপেনিং জুটিই যথেষ্ট হতে পারত। কিন্তু জয়ের খুব কাছে গিয়ে আউট হন সৌম্য।

বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি কাপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিতে বেশি সময় নেয়নি চট্টগ্রাম। লিটনের ৫৩ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৩৮ বল আগেই এক উইকেট হারিয়ে অনায়াসে তারা পৌঁছে যায় গন্তব্যে। ৫ রানে অপরাজিত থাকেন মুমিনুল হক। সৌম্য-লিটনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৭৩ রান।

বিজ্ঞাপন

খুলনা: ৮৬/১০ (১৭.৫ ওভার), চট্টগ্রাম: ৮৭/১ (১৩.৪ ওভার)

আগের ম্যাচে সৌম্য-লিটনরা ৯ উইকেটে হারিয়েছিল বেক্সিমকো ঢাকাকে। এক ম্যাচ আগের পুনরাবৃত্তিই যেন দেখা গেল মিরপুরে।

আজও উইকেটহীন ছিলেন সাকিব। তবে খুব বেশি রান দেননি এ বাঁহাতি স্পিনার। ৪ ওভারে দেন ১৪ রান। যার মধ্যে একটি মেডেন।

বিজ্ঞাপন

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে খুলনার ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই ছিলেন আসা-যাওয়ার মধ্যে। বৈচিত্র্যপূর্ণ বোলিং আক্রমণের সামনে ১৩ বল আগেই তারা গুটিয়ে যায় ৮৬ রানে। আগের দুই ম্যাচে তিন নম্বর ব্যাট করা সাকিব ওপেনিংয়ে নামলেও কাজের কাজ হয়নি।

শুরুতেই সাকিবের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন এনামুল হক বিজয় (৬)। পরে সাকিবও (৩) বাজে শটে ক্যাচ দেন লং অনে। এই ম্যাচেই টি-টুয়েন্টিতে ৫ হাজার রান পূর্ণ করেছেন এ ব্যাটসম্যান। মাইলফলকে পৌঁছাতে তার দরকার ছিল ৩ রানই।

সাকিব আউট হওয়ার পর কেউই হাল ধরতে পারেননি।  ইমরুল কায়েস ২১, আরিফুল হক ১৫, জহুরুল ইসলাম ১৪ ও শামিম পাটোয়ারি করেন ১১ রান। বাকি কেউই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক।

দুর্দান্ত বোলিং করেন মোস্তাফিজুর রহমান। তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩.৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে রান দেন মাত্র ৫।এছাড়া তাইজুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন।

টুর্নামেন্টে টানা দুই জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম। প্রথম ম্যাচে জিতলেও শেষ দুই ম্যাচ হেরে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গেল মাহমুদউল্লাহ-সাকিবদের খুলনা।