চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার তিন দুর্নীতি মামলা নতুন বেঞ্চে

অনলাইন ডেস্ক: খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি, নাইকো এবং গ্যাটকো দুর্নীতি মামলাটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের নতুন বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আচরণে বিরক্তি প্রকাশ করে হাইকোর্ট নতুন করে বিচারপতি নুরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চে মামলাটি পাঠিয়েছেন।

Advertisement

গত ৫ এপ্রিল তিন দুর্নীতি মামলা এবং বাতিল চেয়ে খালেদা জিয়ার আবেদন শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। এর আগে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরি ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি চলছিল। খালেদার আইনজীবীদের অসহযোগিতা এবং অপেশাদার আচরণের কারণে মামলাটির পরবর্তী আদেশের জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।  

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা করা হয়। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক সামছুল আলম। মামলায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতি হয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছিল। এতে ১৬ জনকে আসামি করা হয়। পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম তিন মাস স্থগিত করে রুল জারি করেন। পরে মামলার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ মামলায় স্থায়ী জামিনে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।  এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই মামলাটির কার্যক্রম দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।