চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

খালাস পেলেও মুক্তির আগে তোরাব আলীর মৃত্যু

পিলখানায় সংঘটিত কথিত বিদ্রোহের ঘটনায় দেয়া হাইকোর্টের রায়ে খালাস পেলেও মুক্তির আগে মৃত্যুবরণ করেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক ৪৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি তোরাব আলী। শুক্রবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঢামেক হাসপাতালে কর্মরত কারারক্ষী মো. হানিফ জানান: কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ৩ জানুয়ারি তোরাব আলী অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ঢামেকের হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি করা হয়।

‘শুক্রবার ভোরে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তোরাব আলীর মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

তোরাবের ভাতিজা শহীদুল আলম জানান: ১৯৯০ সালে তিনি সুবেদার হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। তোরাব হাজারীবাগ এলাকায় থাকতেন। গত ২৭ নভেম্বর বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চের দেয়া রায়ে তিনি খালাস পান। তবে কাগজপত্র কারাগারে না পৌঁছানোয় তার মুক্তি মেলেনি।

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালতের রায়ে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে ৩০২ ধারায় তোরাব আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

এর আগে একই ঘটনায় কারাবন্দী অবস্থায় ২০১৫ সালে মারা যান বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন পিন্টু।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে পিলখানা ট্র্যাজেডিতে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা হয়।

বিজ্ঞাপন