চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মেয়াদ শেষে খাবারগুলো হয়ে যাচ্ছে বিষাক্ত, সাবধান!

অনেক সময় খাবারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে জেনেও অনেক কিছু খেয়ে ফেলা হয়। ভাবা হয়, মাত্র এক সপ্তাহ আগে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু স্বাদ ও গন্ধ যেহেতু ভালো আছে, সেহেতু খেলেও কিছু হবে না। কিন্তু জেনে রাখা জরুরী যে কিছু খাবার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রীতিমতো বিষাক্ত হয়ে যায়। এগুলো খেলে বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

জেনে নিন সেই খাবারগুলো সম্পর্কে।

নরম পনির: শক্ত পনিরে ব্যাকটেরিয়া সহজে আক্রমণ করতে পারেনা। তাই শক্ত পনির প্রায় ছয় মাস ভালো থাকে ফ্রিজে। কিন্তু নরম পানির যেমন ক্রিম চিজ, রিকোটা, গোট চিজ সহজেই ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। অনেক সময় মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই পনির কেনার আগে এবং খাওয়ার আগে অবশ্যই মেয়াদ দেখে নেয়া উচিত।

জুস: বোতলজাত পাস্তুরিত জুস কখনোই মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পান করা উচিত নয়। তাজা ফলের রসও যদি বোতলজাত করে রাখা হয় তাহলে সেটাও ভেবে চিন্তে খাওয়া জরুরী। কারণ সেগুলো পাস্তুরিত করা না। অপাস্তুরিত ফলের রস পান করে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশী থাকে।

Advertisement

তাজা মাংস: সুপারস্টোরগুলোতে যেই তাজা মাংস রাখা থাকে, সেগুলোর তারিখ দেখে কিনুন। চেষ্টা করুন তাজা থাকতেই রান্না করে ফেলতে। নাহলে সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন অনেক সময় মেয়াদ শেষের পথে হলে ছাড় দিয়ে দেয়া হয়। তখন হুমড়ি খেয়ে কিনে ফেলেন ক্রেতারা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ে যাওয়া মাংস খেলে মারাত্মক ফুড পয়জনিং হতে পারে।

মাছ: মাংসের মতো মাছও দ্রুত ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। তাই তাজা মাছ কিনে ফ্রিজে রাখলেও দুই দিনের মধ্যে রান্না করে ফেলার চেষ্টা করুন। আর প্যাকেট করা মাছ কেনার সময় অবশ্যই মেয়াদ দেখে কিনুন।

ডিমের তৈরি খাবার: চিকেন ফ্রাইয়ের সঙ্গে মেয়োনেজ দিয়ে তৈরি করা সবজির সালাদ কোলস্লো খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। খাওয়ার আগে অবশ্যই সেটার মেয়াদ দেখে নেয়া জরুরী। কারণ মেয়োনেজ ডিম দিয়ে তৈরি করা হয়। আর ডিমের তৈরি খাবার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে। এছাড়াও ডিমের তৈরি বিভিন্ন ডেজার্টও মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে মুখে দেয়া উচিত না। রিডার্স ডাইজেস্ট