চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে এফএও’র উদ্যোগ

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাবে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে; তা ভোক্তা পর্যায়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘের কৃষি বিষয়ক সংস্থা এফএও।

সংস্থাটি বলছে, এখনই সময় খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে যে বিভ্রান্তি জনমনে সৃষ্টি হয়েছে তা দূর করার। করোনাভাইরাসের বিস্তারের কারণে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল যেমন ভেঙে পড়েছে, ঠিক তেমনই বিপর্যস্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য।

বিজ্ঞাপন

করোনা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্য এ বিপর্যয়কে আরও বেশি খারাপের দিকে নিয়ে গেছে। এমন একটা সময় প্রচলন হয়েছিলো ‘খাদ্য সামগ্রীর মাধ্যামে করোনা ছড়াতে পারে’। এমন কিছু কিছু বিষয় খাদ্য শৃঙ্খলকে আরও বেশি বিপর্যস্তের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিকে সামনে রেখে এফএও এবং এর সহযোগি সংগঠনগুলো এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চার দিনের আঞ্চলিক খাদ্য সুরক্ষা বিষয়ক সম্মেলনের আহ্বান করেছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি অজুহাতে রপ্তানি আদেশ বাতিল হয়েছে এমন কিছু খাদ্য বোঝাই কোন্টিনারের প্রক্রিয়াজাতকরণ, খাদ্যমান এবং খাদ্যের সুরক্ষা যাচাই করে দেখছে ব্যাংকক ভিত্তিক একটি ভার্চুয়াল সংস্থা।

এফওএ’র সহকারী মহাপরিচালক এবং আঞ্চলিক প্রতিনিধি জন জিন কিম এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘সমগ্র এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় খাদ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সংবাদ প্রায়ই গণমাধ্যমের শিরোনামে ওঠে আসতে দেখা যায়।  খাদ্যে দূষণ এবং খাদ্যজনিত রোগের এমন খবর জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। যা স্থানীয় ব্যবসাকে প্রভাবিত করে। ভোক্তাদের মাঝে এতে করে প্রায়ই উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।  এমন পরিস্থিতিতে ফোরামে ভোক্তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয় নির্ধারণে নানামূখি পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হবে।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য খাদ্যের সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার কথা বলেন জন জিন কিম।

রয়্যাল থাই সরকারের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং এফএও’র যৌথ আয়োজনে চারদিনের এ আয়োজনে সরকারের নানা পর্যায়ের কর্মকর্তা, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বেসরকারি খাতে কাজ করা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, নাগরিক প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমে খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।