চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ক্যাসিনো-কাণ্ডে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কি কোনো দায় নেই?

টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি, অনিয়ম ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানকে কেউ বলছে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, কেউ বলছে শুদ্ধি অভিযান৷ কেউ বলছে দলের অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান৷ এ অভিযানের যে নাম দেয়া হোক না কেন, এখানে মূল প্রশ্ন হলো- অনুপ্রবেশকারীরা কার প্রশ্রয়ে নেতৃত্বের কর্তৃত্ব পেয়ে গেল? কিভাবে তারা পেয়ে গেল আর্থিক আলাদিনের চেরাগ?

এই অভিযানে যেসব ঘটনা বেরিয়ে আসছে তাতে বিতর্কিত হচ্ছে ১৪ দল, আওয়ামী লীগের অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের নেতারা ও মুক্তিযোদ্ধারা৷ এখন ভাবার বিষয় হচ্ছে শেষ পর্যন্ত এই অভিযানের পরিণতি কী হবে?

বিজ্ঞাপন

যুবদল হতে যুবলীগে অনুপ্রবেশকারী কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ পাইয়ে দেয়াকে কেন্দ্র করেই ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি উঠছে দিয়াজ পরিবার হতে৷ টেন্ডারের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতারাও৷ ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক দিয়াজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।

এ ঘটনায় সংবাদ মাধ্যমে যে খবর আসছে, তা হলো: ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চবির কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবনের দরপত্র আহ্বানকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সে সময় জিকেবিএল কোম্পানির দি বিল্ডার্সের নামে একটি মাত্র ফরম কেনা হয়। এই জিকেবিএলের স্বত্বাধিকারী জি কে শামীম। আর অন্য কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন তখন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেনি। আর সেই কারণে জিকেবিএল ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও যাতে দরপত্র প্রদান করতে পারে সে জন্য প্রতিবাদ করেছিলেন দিয়াজ ইরফান চৌধুরী। মূলত এ কারণেই দিয়াজকে পরিকল্পিতভাবে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি উঠছে৷

দিয়াজ ইরফানের বোন জুবাইদা বলেছেন: এই হত্যাকাণ্ডের মূলে ৭৫ কোটি টাকার টেন্ডার। সেটা জি কে শামীমের লাইসেন্স-এ দিয়াজ হত্যার আসামিরা হাতিয়ে নেয়। দিয়াজ চেয়েছিল স্বচ্ছ টেন্ডার হোক। এখান থেকেই শুরু। এই ঘটনা থেকে তপুকে মারা হলো, দিয়াজের ঘর ভাঙা হলো, মামুনদের ঘর ভাঙা হলো, তারপর ২০ দিনের মাথায় দিয়াজকে হত্যা করা হলো।

এই দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে এতদিন কেন এই হত্যারহস্য উদঘাটন করতে পারল না সিআইডি? এখন অবশ্য তারা বলছে, দিয়াজ হত্যায় নতুন কোনো বিষয় সামনে এলে সেই ব্যাপারেও তদন্ত করা হবে। সিআইডি কেন এই তিন বছরেও দিয়াজ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে হত্যাকারীকে আইনে সোপর্দ করতে পারল না? ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর দিয়াজের মা বাদী হয়ে আদালতে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। এই ১০ জন কারা? এতে কি জিকে শামীমও আসামি ছিল? দিয়াজের মৃত্যুর তিনদিন পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রথম ময়নাতদন্তে আত্মহত্যা বলা হয়েছিল। পরে পরিবারের আপত্তির কারণে আদালত সিআইডিকে দ্বিতীয় দফায় ময়নাতদন্ত করার আদেশ দিলে তখন দিয়াজকে হত্যার আলামত পাত্তয়া যায়৷ এক্ষেত্রে প্রথম ময়না তদন্ত সম্পর্কে সিআইডির বক্তব্য কী?এক্ষেত্রে এক দেহের দুই রকম ময়নাতদন্তের রিপোর্ট কী করে হলো?

টানা তিনবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বওে কেন ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ হত্যার বিচার হতে পারলো না? তবে কি অনুপ্রবেশকারীদের কাছে দলটি জিম্মি হয়ে গেল? নইলে কেন লাগাতার পেশিশক্তি ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করেও তারা বহাল তবিয়তে? কিভাবে ৫০ কোটি টাকা খরচ করে যুবদলের নেতা হতে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বনে যান জিকে শামীম৷ তার মাধ্যমেই সব ধরনের বড় অংকের দরপত্র/ টেন্ডার বাণিজ্য চলে কিভাবে?

এখন খবরে প্রকাশ হচ্ছে, বিএনপি-জামায়াতের অনুসারী হিসাবে জিকে শামীমের সঙ্গে মিলেমিশে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম এবং বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন কমপক্ষে সাতশ কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য করেছেন। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর অনুপ্রবেশকারীরা মিলিমিশে একাকার হয়ে গেছে সরকারের উন্নয়নকে নিজেদের উন্নয়নের কাজে লাগাতে৷

এখন শোনা যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর খুনী খন্দকার মোশতাকের ভাগ্নেও মোটা অংকের ডোনেশন দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা হয়ে গেছেন৷ এভাবে কেন সর্বত্র খাল কেটে কুমির আনা হচ্ছে? সৃষ্টি করা হচ্ছে ঘরের শত্রু বিভীষণ৷ এই বিভীষণরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কী ঘরের পিলারটাই উপড়ে ফেলতে পারে না? যেভাবে উপড়ে ফেলেছিল ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে৷ কেন ক্ষুদ্র স্বার্থে বৃহৎ স্বার্থ তথা নিজেদের অস্তিত্বকে হুমকিতে ফেলে দিচ্ছে নেতারা? সরকারের এক শ্রেণির কর্মকর্তারা এসব অনুপ্রবেশকারীদের দিয়ে কোটি কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য করে চলছে আর রাজনৈতিক দল ও নেতৃত্বকে করছে বিতর্কিত৷

বিজ্ঞাপন

খালেদ, জিকে শামীমের পরিচয় রাজনৈতিক নেতা হিসাবেই৷ এদের উত্থানে নেতাদের সম্পর্কে জনমনে গড়ে উঠছে নেতিবাচক মানসিকতা৷ কিন্তু খালেদ ও জিকে শামীমদের দিয়ে যারা অবৈধ আয় করেছে তারা আজ কোথায়? তারা তো আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। উল্টো তারা দুর্নীতি অভিযানের নেতৃত্বের আসনেও রয়েছেন। আর মানসম্মান যাচ্ছে দল ও নেতাদের৷

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলছেন, শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়ে হয়ে গেছে। ক্যাসিনোর এ টাকা কোন কোন নেতার কাছে যেতো তা তদন্ত করে বের করা হচ্ছে। এইচ টি ইমাম বলছেন, ইতোমধ্যে যাদের ধরা হয়েছে তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন যে, আমাদের দলে দীর্ঘদিন থেকে একটি দাবি উঠছিল এসব অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে৷ এটা কি রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা নয়?

আজ সংবাদ পত্রের শিরোনাম হয়, ‘জুয়া থেকে হুইপের আয় ১৮০ কোটি টাকা, দাবি পুলিশ পরিদর্শকের’। এতে লেখা হয়েছে, চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লাবের জুয়ার আসর থেকে গত পাঁচ বছরে ক্লাবটির মহাসচিব ও জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরী ১৮০ কোটি টাকা আয় করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাইফ আমিন নামের একজন পুলিশ পরিদর্শক। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিজের ফেসবুক ওয়ালে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন তিনি। তিনি এক সময় হালিশহর থানা, চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের হাজতখানাসহ বিভিন্ন থানায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় কর্মরত। একজন পুলিশ পরিদর্শক একজন জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়ী করে স্ট্যাটাস দিলেন, কিন্তু তা এতদিন পরে কেন? এখন আবার সেই পরিদর্শক বরখাস্তও হলেন৷ তবে কি তিনি হুইপের বিরুদ্ধে মিথ্যা বললেন? কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে রাজনীতিকে সাংঘর্ষিক করে তোলা হচ্ছে? রাজনীতির শুদ্ধতা অর্জন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় হওয়াটাই কি কাম্য নয়?

যেসব অনুপ্রবেশকারী দুর্বৃত্ত দলকে ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে তাদের দলে আনলো কে? কেন আনলো? দলগতভাবে কি তা জিজ্ঞেস করা হয়েছে? এছাড়া অপকর্মগুলো কি কেবল রাজনৈতিক নেতারাই করেছে? সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা নয়? স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কোনো কারণে ক্ষমতা চলে গেলে ক’জন শেখ হাসিনার পক্ষে থাকবেন? র‌্যাব-পুলিশ কি নিকট অতীতে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ায়নি? শেখ হাসিনার অ্যাকশান বলে এখানে তাকে প্রতিপক্ষ করা হচ্ছে বলেই মনে হয়েছে। কারণ, এতবড় একটা অভিযানকে কেন জোটের ও দলের না বলে শুধুই শেখ হাসিনার বলা হচ্ছে।

অন্যদিকে স্পোর্টস ক্লাবগুলোর কাজ হলো খেলাধুলায় সক্রিয় থাকা। কিন্তু স্পোর্টসের নাম ভাঙিয়ে ক্লাবগুলোতে অবৈধভাবে জুয়া ও ক্যাসিনো বাণিজ্য চলছে এর চেয়ে ন্যাক্কারজনক ও জঘণ্য কাজ আর কী হতে পারে? এ ব্যাপারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কি কোন দায় নেই? দায় নেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার? তারা কি এতদিন এর কিছুই জানত না?

সম্প্রতি ১৪ দলের বৈঠক হয়েছে৷ এতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘ঢাকা শহরে কীভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধ ক্যাসিনো ও দুর্নীতি চলে? প্রশাসনের মধ্যেই দুর্নীতিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এর ফলেই রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ঘটেছে। ১৪ দলীয় জোটের নেতা ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ডিএমপি কমিশনার বলছেন, ক্যাসিনোর ‘ক’ অক্ষর তিনি জানতেন না। তাহলে আমি জানব কীভাবে? ১৪ দলের আরেক শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, পুলিশের ভেতরের ‘কালো বিড়াল’ না ধরলে চলমান এই শুদ্ধি অভিযান সফল হবে না। আসলে কী ঘটতে চলেছে ক্যাসিনো নিয়ে?

১৪ দলের শরীক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ২০০৮ সালে যখন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তখন মুক্তিযোদ্ধা ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার কাছে হাউজি ও ওয়ানটেন খেলার অনুমতি চান খেলোয়াড়দের জন্য ফান্ড সংগ্রহের কথা বলে৷ জানা যায় ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া সংঘ (মুক্তিযোদ্ধা ক্লাব) কে মেনন বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নামে চলা ক্লাবে কখনোই জুয়া গ্রহণযোগ্য নয়। এই বলে তিনি তাদের ফিরিয়ে দিলে পরে তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জুয়াকে ‘সুনিপুণ ক্রীড়া’ নামে হাইকোর্টের অনুমতি আনলেও শর্ত থাকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটার লাগবে সেই সুনিপুণ ক্রীড়া পরিচালনায়। মেনন তখনও তাদের ডিও লেটার দেননি। এরপর আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতা তৎকালীন মহানগর পুলিশের কমিশনারকে ফোন দিয়ে সুনিপুণ ক্রীড়ার অনুমতি দিতে অনুরোধ করেন। এমনটি কেন ঘটল এর কি কোন জবাব আছে?

ক্যাসিনো-গডফাদারপুলিশ কমিশনার স্থানীয় এমপির ডিও লেটার ছাড়া অনুমতি দিতে অপারগতা জানালে এরপর অনুমতি ছাড়াই হাইকোর্টের দোহাই দিয়ে সুনিপুণ ক্রীড়ার নামে ওয়ান-টেন ও হাউজি খেলা চলতে থাকে৷ যা পরে ক্যাসিনোতে পরিণত হয়। আর পুলিশের ওই কর্মকর্তা ঠিক তার ৬ মাস পর পরই ট্রান্সফার হয়ে চলে যেতে বাধ্য হন৷ ক্লাব কর্তৃক পরোক্ষভাবে মেননকে এমপি হিসাবে মাসোহারা দেয়ার প্রস্তাব করলে তাও প্রত্যাখাত হয়৷ আর এখন মেননের বিরুদ্ধেই উঠছে ক্যাসিনোর অভিযোগ! চলমান দুর্নীতি বিরোধী অভিযান কি পারবে এর আসল রহস্য উদঘাটন করতে? পারবে কি কোন প্রভাবে সুনিপুণ ক্রীড়া চালু হলো তা বের করতে?

বাংলাদেশের বড়বড় নামিদামী ক্লাবই ক্ষমতাধরদেরকে পৃষ্ঠ পোষক বানাতে তৎপর থাকে৷ ক্ষমতা বদলের পর গভর্নিং বডির নামে এসব পৃষ্টপোষকদেরও পরিবর্তন হয়ে থাকে৷ যেমন ইয়ংমেনস ক্লাবে কখনও মায়া চৌধুরী, কখনো আব্দুর রহিম ও কখনও রাশেদ খান মেনন৷ মায়া চৌধুরী মন্ত্রীত্বে নেই তাই গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যানও নেই৷ ইয়ংমেনস ক্লাব ক্রিকেট ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে পরিচালিত হত। ক্লাবটি ফুটবলের চ্যাম্পিয়ান লীগে চ্যাম্পিয়ানও হয়৷ ২০১৬ সালে ঐ ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন করতে মেননকে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসাবে আমন্ত্রণ করে নিয়ে যায়৷ মেনন এমপি না হলে নিশ্চয়ই তাকে আমন্ত্রণ করতেন না তারা৷ ক্লাবগুলোর এই ক্ষমতাতোষণের রীতি বন্ধ হবে কি? বেরোবে কি ক্লাবের নাম করে জুয়া চালানোর আসল রহস্য?

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Bellow Post-Green View