চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে ভ্যাকসিন

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তি এবং অবস্থা সংকটময় রোগীদের ক্ষেত্রে ফাইজার ও বায়োএনটেকের তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যকর ভূমিকা রাখছে।  

এনডিটিভি তথ্যমতে, অনেক সময় করোনার মৃত্যু থেকেও ভ্যাকসিন কার্যকর বলে জানিয়েছে তারা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছে, এই ভ্যাকসিন গ্রহণের পর ৮৫ শতাংশ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করার সক্ষমতা অর্জন করবেন। অনেক সময় রোগী শতভাগ রোগের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারবে।

শুক্রবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জুলিয়া শাপিরো, নাটালি ডিন, ইরা লংগিনি এর একটি গবেষণা পত্রে এই বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

সাম্প্রতিককালে ভারতে আবির্ভূত নতুন ভ্যারিয়েন্ট- ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট, বি.১.৬১৭। তবে এই ভ্যারিয়েন্টটি আপাতদৃষ্টিতে উদ্বেগজনক বিবেচিত হলেও যেহেতু সংক্রমণের বিভিন্ন আঙ্গিকে এটির অবস্থান এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি, এটাকে এখনো ‘ভ্যারিয়ন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের মতো রেগুলেটরি বডি এটাকে একটি মাঝামাঝি অবস্থানে রেখে ‘ভ্যারিয়েন্ট আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

শুধু তাই নয়, এক সংবাদে  ১২-১৫ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ফাইজার ও বায়োএনটেকের তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন শতভাগ কার্যকর বলে জানানোর পর এই বয়সীদের জন্য টিকাটির জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়।

দুবাইয়ের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিভাবকরা এখন থেকে তাদের সন্তানদের জন্য ভ্যাকসিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারবেন। ডিএইচএ অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং দিতে হবে।

ডিএইচএর ক্লিনিকাল সহায়তা পরিষেবার সিইও ডা. ফরিদা আল খাজা বলেন, দুটি ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও এই বয়সী শিশুদের ওপর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আর তা অভিভাবকদের দায়িত্ব যাদের শরীরে অন্যান্য রোগ আছে তাদেকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এ ছাড়া যারা বয়স্ক এবং অসুস্থ রোগীদের সাথে বসবাস করছে তারাও অগ্রাধিকার পাবে। এর মধ্য দিয়ে পরিবারের বাকি সদস্যরাও সুরক্ষিত থাকবে, যোগ করেন তিনি।

আর যারা হালকা উপসর্গ বা উপসর্গহীন হয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে আগে ১০ দিনের আইসোলেশন করতে হবে। এরপরই কেবল তারা ভ্যাকসিন পাবে।