চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কে ভ্যাকসিন পাবে আর কে পাবে না, নির্ধারণ করলো ভারত সরকার

ভারত জুড়ে করোনা ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি শুরু হচ্ছে শনিবার। তার ঠিক আগে এই সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। এরমধ্যে রাজ্যগুলোকে এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে প্রকাশ, ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কী কী করা যাবে, আর কী নয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ভারত সরকার জানিয়েছে, ১৮ বছরের বেশি বয়সি ব্যক্তিদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রসূতি বা যারা প্রেগন্যান্সি নিয়ে খুব একটা নিশ্চিত নন এবং যারা শিশুদের স্তন্যপান করান এমন মহিলারা টিকা নিতে পারবেন না।

ভারতে দু’টি সংস্থার ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। সিরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন। গাইডলাইনে আরও বলা হয়েছে, যারা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন তারা যে কোনও একটি সংস্থারই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ যে সংস্থার হবে, দ্বিতীয় ডোজটিও ওই সংস্থারই নিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও ব্যক্তি অন্য রোগের জন্য ভ্যাকসিন নিয়ে থাকেন, তা হলে সেই ভ্যাকসিনের সঙ্গে কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার সময়ের ফারাক ১৪ দিন হতে হবে। এ ছাড়া, কোভিড পজিটিভে আক্রান্ত হয়েছিলেন কিন্তু সুস্থ হয়ে উঠেছেন, এমন ব্যক্তিরা সুস্থ হওয়ার ৪-৮ সপ্তাহ পর কোভিড ভ্যাকসিন নিতে পারবেন।

আবার যে কোভিড রোগীদের প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়েছে, সুস্থ হওয়ার ৪-৮ সপ্তাহ বাদে তারা টিকা নিতে পারবেন। পাশাপাশি, যারা কোনও রোগে আক্রান্ত বা হাসপাতালে ভর্তি তারা সুস্থ হওয়ার ৪-৮ সপ্তাহ বাদে টিকা নিতে পারবেন।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে সব ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, যারা কঠিন রোগে আক্রান্ত তা সে হৃদরোগ, স্নায়ু, বা ফুসফুসজনিত রোগ বা এইআইভি- এমন রোগীদের ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে।

শনিবার থেকে শুরু হওয়া ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচির আওতায় ৩ হাজার ৬টি কেন্দ্রে প্রায় ৩ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীকে এই পর্বে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচির সূচনা করবেন।