চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘কৃষি নির্ভর অনুষ্ঠানগুলোর জন্যই চ্যানেল আই অন্যদের চেয়ে আলাদা’

‘‘আমার মনে হয় চ্যানেল আইয়ের সবচেয়ে বড় অবদান কৃষি উন্নয়নে। তারা কৃষির উপর যে অনুষ্ঠানগুলো নিয়মিত করেন এটা বিরাট ব্যাপার। বাংলাদেশে অসংখ্য চ্যানেল এই মুহূর্তে, কিন্তু কৃষির উপর চ্যানেল আইয়ে যে অনুষ্ঠানগুলো হয় এগুলোই অন্য চ্যানেল থেকে চ্যানেল আইকে আলাদা করে রাখে। এটা ইউনিক। কৃষি উন্নয়ন সাংবাদিকতার সাথে যারা জড়িত, চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমি বিশ্বাস করি, কৃষি অনুষ্ঠানের সাথে যারা জড়িত আছেন তাদেরকে প্রতিনিয়ত অ্যাপ্রিসিয়েট করা উচিত।’’

চ্যানেল আইয়ের বিশ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কথাগুলো বলছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত তারকা অভিনেতা ফারুক।

‘কোটি প্রাণে মিশে, আমরা এখন ২০-এ’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১ অক্টোবর চ্যানেল আই পা রাখছে বিশ বছরে। শতভাগ পেশাদারিত্ব, নতুনত্ব, সৃজনশীলতা ও তারুণ্যের জয়গান গেয়ে ১৯ বছর পার করার এই অধ্যায়। যে চ্যানেল নিয়ে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির জায়গা নিয়ে কথা বলেছেন ছোট ও বড় পর্দার অসংখ্য গুণী মানুষেরা। চ্যানেল আইয়ের কুড়ি বছরের পদযাত্রায় চ্যানেলটি নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেতা ফারুক।

চ্যানেল আইকে নিজের পরিবার আখ্যা দিয়ে ‘সারেং বউ’ খ্যাত এই অভিনেতা বলেন, চ্যানেল আই হচ্ছে আমার পরিবার। আমি সব সময় এই চ্যানেলকে আমার পরিবারের অংশই মনে করি। গত ২০ টি বছর ধরে যারা এই চ্যানেলটি চালিয়ে এসেছেন, অন্তর দিয়ে মেধা দিয়ে নানা বিচিত্র অনুষ্ঠান করে থাকেন চ্যানেল আইয়ের জন্মদিনে সেই সব মানুষদের প্রতি ভালোবাসা জানাই।

বিজ্ঞাপন

চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠানের প্রশংসা করে এই প্রবীন অভিনেতা বলেন, চ্যানেল আই নিয়মিত অনুষ্ঠানের পাশাপাশি নাচের, গানের অনুষ্ঠান করেন। এটা বাংলাদেশে তারাই গোছালো ভাবে করেন। আমাদের অনেক ট্যালেন্ট আছে। গ্রামগঞ্জ থেকে তাদের তুলে আনে চ্যানেল আই। আমি মনে করি ভবিষ্যতে এই অনুষ্ঠানগুলো আরো গর্জিয়াসলি করবেন তারা। কারণ এমন অনুষ্ঠান চ্যানেল আই ছাড়া অন্য কারো দ্বারা কঠিন। সেই ক্ষেত্রে যদি কখনো আমাদের সহায়তা দরকার হয় তাহলে আমরাতো আছিই।

ভবিষ্যতে চ্যানেল আইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আরো লুকানো ট্যালেন্ট বের হয়ে আসবে, এমন প্রত্যাশা জানিয়ে মিয়া ভাই আরো বলেন, ভারতীয় অনেক টিভি চ্যানেল রিয়েলিটি শো শুরু করেছে, সেখানেও বাংলাদেশ থেকে প্রতিযোগিরা যাচ্ছে। আমি চাই, চ্যানেল আই যেহেতু এই অনুষ্ঠানগুলো আয়োজন করেই সামনে থেকে আরো বড় প্লাটফর্মে আয়োজন করবেন। বাংলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা ট্যালেন্টগুলোকে যেভাবে তারা সামনে নিয়ে আসেন, ভবিষ্যতে সেই কাজটি আরো বিস্তৃত পর্যায়ে ঘটবে বলেই বিশ্বাস করি।

চ্যানেল আইয়ের নিয়মিত আয়োজন ‘তৃতীয় মাত্রা’ সহ অনুষ্ঠান মালার প্রশংসা করে ফারুক আরো বলেন, চ্যানেল আইয়ের আরেকটা অনুষ্ঠান আমার খুব পছন্দের, ‘তৃতীয় মাত্রা’। এটা বোধহয় একমাত্র পলিটিক্যাল অনুষ্ঠান যা সবার কাছে সমান গ্রহণযোগ্য। এখানে সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে কথা বার্তা হয়। খুব সুন্দর। চ্যানেল আইয়ের আরেকটি স্পেশালিটি হচ্ছে তারা শিল্পী, অভিনেতা-অভিনেত্রী, থিয়েটার কর্মী, নির্দেশক, কবি-সাহিত্যিক থেকে শুরু করে সবাইকে নিয়ে অনুষ্ঠান করেন। এগুলো খুব অ্যাপ্রিসিয়েনেবল।

ভবিষ্যতে আরো নতুন নতুন আইডিয়ার অনুষ্ঠান নিয়ে আসবে চ্যানেল আই এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, বরাবরই আইডিয়া বেইজ অনুষ্ঠান করে চ্যানেল আই। ‘আমার ছবি’ নামের যে অনুষ্ঠানটি ছিলো এটা খুব ভালো আইডিয়ার একটা অনুষ্ঠান ছিলো। আমি আশা করি এরকম স্পেশাল কিছু অনুষ্ঠান সামনে থেকে চ্যানেল আই শুরু করবে।

ছবি: তানভীর আশিক

বিজ্ঞাপন