চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কৃষি উৎপাদন ও বিপণন অব্যাহত রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ

করোনাভাইরাস জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন ও বিপণন অব্যাহত রাখতে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এগুলো বাস্তবায়নে বাস্তবায়ন ও পালন করতে অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থাসমূহকে নির্দেশনা প্রদান করেছে।

দপ্তর-সংস্থাসমূহকে দেওয়া নির্দেশনা গুলো হলো:
১. মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পালন করে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। বসতবাড়ির আঙিনাসহ সকল পতিত জমিতে শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য ফসলের চাষ করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

২. সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময়েও জরুরি পণ্য বিবেচনায় সার, বালাইনাশক, বীজ, সেচযন্ত্রসহ সকল কৃষিযন্ত্র (কম্বাইন হারভেস্টর, রিপার প্রভৃতি),খুচরা যন্ত্রাংশ, সেচযন্ত্রসহ কৃষিযন্ত্রে ব্যবহৃত জ্বালানি (ডিজেল), কৃষিপণ্য আমদানি, বন্দরে খালাসকরণ, দেশের অভ্যন্তরে সর্বত্র পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় যথারীতি অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

৩. ঢাকার শেরেবাংলা নগরস্থ ‘সেচ ভবন’ প্রাঙ্গণে কৃষক কর্তৃক উৎপাদিত নিরাপদ সবজি সরাসরি বিক্রয়ের জন্য স্থাপিত প্রতি শুক্র ও শনিবারের ‘কৃষকের বাজার’-এ আসা কৃষিপণ্যবাহী গাড়ি ও সংশ্লিষ্ট কৃষকদের চলাচল অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

৪. সকল কৃষিপণ্যবাহী গাড়ি চলাচল এবং এ সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তিদের চলাচল অব্যাহত থাকবে।

৫. আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আবাদের লক্ষ্যমাত্র অর্জন নিশ্চিতকরণে সঠিক সময়ে বীজতলা তৈরি, রোপন, সেচসহ অনান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি সম্পন্নকরণ।

৬. কৃষি মন্ত্রণালয় এবং এর দপ্তর-সংস্থা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের নিজ কর্মস্থলে অবস্থান। কারোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতে নিজের এবং কৃষকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সময়ে সময়ে সরকারের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে পালনের নির্দেশনা।

পাশাপাশি, ত্রাণসামগ্রিতে নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।