চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কুড়িগ্রামে বছরে ৩ বার ধান উৎপাদন

নতুন শস্য বিন্যাসের আওতায় একই জমিতে বছরে ৩ বার ধান উৎপাদন করছেন কুড়িগ্রামের কৃষক।

বোরো ও আমনের মধ্যবর্তী সময়ে তিন মাস পড়ে থাকা পতিত জমিতে হাইব্রিড জাতের আউশ ধান আবাদ করে বেশ লাভবান তারা।

বিজ্ঞাপন

বছরের এ সময়টিতে জমিতে পাকা ধান থাকার কথা নয়। কিন্তু কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সোনালী ধানের সমারোহ।

লাভজনক হওয়ায় হাইব্রিড জাতের আউশ ধান আবাদে আগ্রহী হয়েছেন কৃষক। ৩ ধান আবাদ করে প্রতি একরে ৬০-৭০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছেন তারা।

কৃষকরা বলছেন, কম খরচে ধান চাষ সম্ভব হওয়ায় তাদের লাভ হয়েছে। ধানের দাম পেলে তারা আরো বেশি লাভবান হবেন।একই জমিতে বছরে তিনবার ধান চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচি।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আউশ মৌসুমে হাইব্রিড সাথী ধানের আবাদ সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়া গেলে উৎপাদন বাড়বে ৯০ লাখ টনেরও বেশি।

ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক বিপ্লব কুমার নাগ জানান, পানির স্বল্পতার কারণে কৃষকরা আউশ ধান চাষ করেছেন। যদিও পানির খুব বেশি প্রয়োজন হয়নি। বছরে ৩টি ফসল কীভাবে হয়, তা শেখানোর জন্যই তারা কৃষকদের আউশ ধান চাষ করতে বলেছেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে বছরে ৩ বার ধান উৎপাদন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন কুড়িগ্রামের কাঁঠালবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন মঞ্জু।

কর্মসূচির আওতায় ৭শ’ ১৫ জন কৃষক ৩শ’ ৮৩ একর জমিতে আউশ জাতের হাইব্রিড সাথী ধানের আবাদ করেছেন। এতে একর প্রতি ফলন এসেছে ৬৮ থেকে ৭০ মণ।

আউশ মৌসুমের ধান কাটা উপলক্ষ্যে মাঠ দিবসের আয়োজন করে কৃষি বিভাগ।

Bellow Post-Green View