চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কুমিল্লার কাউন্সিলর হত্যার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ মো. সোহেল এবং তার সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে সদর উপজেলার চাঁনপুর গোমতি প্রতিরক্ষা বাঁধে ডিবি ও জেলা পুলিশের সঙ্গে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে পুলিশ। সেসময় দুই পুলিশ সদস্যও আহত হওয়ার পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে অংশ নেওয়া জেলা গোয়েন্দা বিভাগের এসআই পরিমল দাশ সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘কয়েকজন অস্ত্রধারী গোমতী বেড়িবাঁধে অবস্থান করছে সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। সেসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় দুই পক্ষের গোলাগুলিতে এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে শাহ আলম বলে শনাক্ত করে।

গুলিবিদ্ধ শাহ আলমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি নগরীর সুজানগর এলাকার মৃত জানু মিয়ার ছেলে।’’

বিজ্ঞাপন

এ নিয়ে কাউন্সিলর হত্যা মামলার ৩ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলেন। এর আগে গত সোমবার রাতে এই মামলার আসামি সাব্বির ও সাজন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

গত ২২ নভেম্বর কুসিক কাউন্সিলর সোহেলের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি করে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

ঘটনার পর নিহত কাউন্সিলরের ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি ৮/১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

ওই মামলায় এ পর্যন্ত ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- সুমন, মাসুম, আশিকুর রহমান রকি, আলম মিয়া, জিসান ও অন্তু। তাদের মধ্যে অন্তু ছাড়া সবাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

বিজ্ঞাপন