চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কয়েক দশকের সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল কিউবা

কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করার সময় কয়েক ডজন মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ চলছে।

অর্থনীতির পতন, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি, মূল্যবৃদ্ধি এবং সরকারের কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ পদক্ষেপ দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে কিউবানরা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় সমালোচকদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার পরে এই প্রতিবাদগুলি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

দ্বীপটির প্রেসিডেন্ট তার সমর্থকদের বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ‘লড়াই’ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এক বিক্ষোভকারী বলেন, আমাদের কোনো খাবার নেই, ওষুধ নেই, স্বাধীনতা নেই। তারা আমাদের বাঁচতেই দিচ্ছে না।

রাজধানী হাভানাসহ কিউবা জুড়ে বিক্ষোভকারীরা ‘স্বাধীনতা’ এবং ‘স্বৈরাচারের সাথে ডুবে যাও’ স্লোগান দিচ্ছিলো।

বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের নিরাপত্তা বাহিনী গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। আর সাধারণ পোশাকের অফিসাররা এসব বাহিনীকে সহায়তা করেছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে নিরাপত্তা বাহিনী কিছু বিক্ষোভকারীকে আটক করছে, মারধর করছে এবং তাদের উপর পেপার স্প্রে করে দিচ্ছে।

সেখানে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তাছাড়া অ্যাসোসিয়েট প্রেসের একজন ফটোগ্রাফারও আহত হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলার সময়।

কিউবার এই বিক্ষোভের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল সেখানকার জাতীয় টিভিতে দেওয়া বক্তব্যে এই অশান্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ১৯৬২ সাল থেকে তাদের দেওয়া বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটিতে অর্থনৈতিক দমবন্ধ অবস্থা তৈরি হয়েছে।

দিয়াজ কানেল আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে আমেরিকার ভাড়াটেরা বিক্ষোভ করছে। তিনি তার সমর্থকদের বাইরে যেতে ও বিপ্লব রুখতে বলেন।

তিনি ঘোষণা দেন, লড়াইয়ের আদেশ দেওয়া হলো। রাস্তায় বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে।

তবে লাটিন আমেরিকায় নিযুক্ত মার্কিন কূটনীতিবিদ জুলি চুং টুইটবার্তায় বলেন, কিউবার ‘যুদ্ধের ডাক’ শুনে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।

বিজ্ঞাপন