চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কিউইদের উড়িয়ে ২৫ বছরের দেয়াল পোক্ত করল অজিরা

জয় যে নিশ্চিত তা তৃতীয় দিনেই করে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থদিনে নাথান লায়নের ৪ উইকেটে ভর করে দ্বিতীয় টেস্টে ২৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে নিউজিল্যান্ডকে হারায় অজিরা। সেই সঙ্গে সিরিজও পকেটে পুরল তারা। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডকে দ্বিতীয় ইনিংসে তুলতে হত ৪৮৮ রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে কিউইরা ২৪০ রানেই গুটিয়ে যায়।

মেলবোর্নে আধিপত্য নিয়ে জয়ের পরে অস্ট্রেলিয়া তাদের পড়শি দেশের বিরুদ্ধে ২৫ বছর অপরাজিত থাকল। পার্থে দিন রাতের টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে ২৯৬ রানে হারিয়েছিল অজিরা। সিডনিতে শেষ ম্যাচে নিয়মরক্ষার টেস্টে নামতে হবে এবার দুই দলকে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে করা ৪৬৭ রানের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড করে ১৪৮। ৫ উইকেটে ১৬৮ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। তাতে ৪৮৮ রানের পাহাড় জমে কিউইদের সামনে। এরপর অজিদের পেস-স্পিন আক্রমণের সামনে হাঁসফাঁস করতে করতে তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৪০ রানে।

সকালের সেশনে এদিন জেমস প্যাটিনসন নয় বলের মধ্যে তিন উইকেট দখল করে ফেলেছিলেন। তবে এরপরে চার বিরতিতে নিউজিল্যান্ড ১৩১/৪ তুলে ফেলেছিল। তবে তারপরে লায়ন ফেরান বিজে ওয়াটলিংকে (২২)। এরপরে অলরাউন্ডার কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম লায়নের বলেই ফ্লিক করতে গিয়ে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন মাত্র ৯ রান করে।

বিজ্ঞাপন

হাত ভেঙে যাওয়ার কারণে ব্যাট করতে নামেননি ট্রেন্ট বোল্ট। এরপরে হাস্যকরভাবে টিম সাউদি রান আউট হয়ে যাওয়ার পরে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ উইকেট। পার্টটাইম লেগস্পিনার মার্নাস লাবুশানে ১২১ রান করা ব্লান্ডেলকে আউট করে কিউই ইনিংসের সমাপ্তি ঘটিয়ে দেন।

টিম পেইন দুর্দান্ত জয়ের পর জানিয়েছেন, ‘টসে হারার পর থেকে যেভাবে আমরা খেলেছি গোটা টেস্ট জুড়ে, সেটা অবিশ্বাস্য ছিল। কয়েকজনের পারফরম্যান্সের উপরে ভরসা করে থাকার পরে দলের প্রত্যেকেই অবদান রাখছে। দায়িত্ব ভাগ করে নিচ্ছে।’

অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের হয়ে হৃদয় জিতলেন ব্যাটসম্যান টম ব্লান্ডেল। কিউই তারকার দুর্ধর্ষ সেঞ্চুরিতেই অস্ট্রেলিয়ানদের জয় বিলম্বিত হয়। তবে ব্লান্ডেল বাদে নিউজিল্যান্ডের বাকি ব্যাটসম্যানরা প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

অ্যাশেজ সিরিজ ড্র’র পর এই নিয়ে টানা চারটা টেস্ট জিতল অস্ট্রেলিয়া।

বিজ্ঞাপন