চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কাশ্মীরে জয়েশ জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ, গোলাগুলি

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মোহাম্মদের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত এক কর্মকর্তাসহ ৪ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। নিহত সেনারা ৫৫ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য।

রোববার রাজ্যের পুলওয়ামা জেলায় রাতব্যাপী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলার সময় তারা নিহত হন।

সন্ত্রাসীদের একজন অভিযানে মারা গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া অভিযানে ক্রসফায়ারে পড়ে এক বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এনডিটিভি জানায়, পুলওয়ামার পিংলান এলাকায় তিনজন জয়েশ জঙ্গি লুকিয়ে আছে খবর পেয়ে রোববার কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযান শুরু করে ৫৫ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফ’র দু’টি ব্যাটালিয়ন এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের বিশেষায়িত অভিযান দল। বৃহস্পতিবারের আত্মঘাতী হামলাকারী আদিল আহমেদ ধরের প্রশিক্ষক ওই তিনজনের একজন বলেও তাদের কাছে খবর ছিল।

বিজ্ঞাপন

নিরাপত্তা বাহিনী এক পর্যায়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘিরে ফেললে কোণঠাসা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা গুলি শুরু করে। সেসময় দু’পক্ষের গোলাগুলিতে ৪ ভারতীয় সেনা নিহত ও দুই জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর একজন মেজর রয়েছেন বলে জানায় টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সারারাত গোলাগুলির পর আরও দু’তিনজন জয়েশ সদস্য ওই এলাকায় লুকিয়ে আছে ধরাণা করে সোমবার সকাল ৯টার দিকে আবারও অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।ভারত-কাশ্মীর-অভিযান-জঙ্গি-নিহত

এর চারদিন আগে গত বৃহস্পতিবার ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আধাসামরিক বাহিনীর গাড়িবহরে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে অন্তত ৪০ জন ভারতীয় আধাসামরিক সেনা নিহত হয়। আহত হয় আরও অনেকে।

হামলার পরপরই এর দায় স্বীকার করে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মোহাম্মদ।

ভারতশাসিত কাশ্মীরে দুই দশকের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর ‘বদলা’ নেয়ার ঘোষণা দেন। তার অভিযোগ পাকিস্তানের মদদে এ হামলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন