চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘কালো তালিকাভুক্ত’ কোম্পানি থেকে এলএনজি কেনা হলে খতিয়ে দেখা হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেছেন, লকডাউনের কারণে দীর্ঘ সময়ের জন্য তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) না পাওয়ায় স্পট থেকে কেনা হয়েছে।

তবে এক্ষেত্রে যদি কোনো ‘ব্ল্যাক লিস্টেড’ (কালো তালিকাভুক্ত) কোম্পানি থেকে এলএনজি কেনা হয় তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী জানান, আজকের অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটিতে দুটি প্রস্তাব ও ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে ৫টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। ক্রয় সংক্রান্ত অনুমোদিত ৫টি প্রস্তাবের অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৯১ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার ৫১২ টাকা। পুরোটাই জিওবি থেকে যোগান দেয়া হবে।

বৈঠকে এলএনজি আমদানির জন্য দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক সময় লং টার্মে পাওয়া যায় না, সেজন্য স্পট থেকে কেনার চেষ্টা করি। আমাদের যেহেতু এলএনজি দরকার তাই স্পট থেকে কিনেছি। কিন্তু বিভিন্ন সোর্স থেকে যে লং টাইম চুক্তি রয়েছে সেগুলো অব্যাহত রেখে বাড়তি চাহিদা মেটাতে স্পট থেকে ক্রয়ের চেষ্টা করছি।

বিজ্ঞাপন

লং টার্মে একরকম দাম এবং স্পট থেকে কিনলে আরেকরকম। এজন্য লং টার্মে যারা বিক্রি করে তাদের যে দাম সেটি বিভিন্ন বিবেচনায় এবং লং টাইম বিবেচনায় দাম নির্ধারণ হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলার মাধ্যমে ষষ্ঠ এলএনজি কার্গোর আওতায় সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া পিটিই লি. এর কাছে থেকে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ এলএনজি ৩১০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৩ হাজার ২৪৩ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। একই সঙ্গে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলা কর্তৃক সপ্তম এলএনজি কার্গোর আওতায় সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া পিটিই লি. এর কাছ থেকে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ এলএনজি ৩১২ কোটি ৬৫ লাখ ২৪ হাজার ২২৪ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়।

ভিটল এশিয়া বিভিন্ন দেশে ব্ল্যাকলিস্টেড, তাদের থেকে এনএলজি কেনা হচ্ছে কেন?

এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে ব্ল্যাকলিস্টেড না। বিভিন্ন দেশে তারা ব্যবসা করে। আমাদের দেশে তো তারা ব্যবসাই করেনি এখনও। আমরা প্রকিউরমেন্ট করি আমাদের স্বার্থে। তারা সেখানে ব্ল্যাকলিস্টেড হলে আমাদের তো ক্ষতি হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমরা যদি না পাই তাহলে তাদের যে সিকিউরিটি আছে সেটা প্রফিট হবে। সরবরাহ যখন করবে সেটার পরিপ্রেক্ষিতে তারা টাকা পাবে। ফলে আমাদের ক্ষতি হচ্ছে না। আমার জানা নেই তারা ব্ল্যাকলিস্টেড। তবে ব্ল্যাকলিস্টেড হলে তাদের কাছ থেকে নেবো কেন? আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবহিত করবো, তারা দেখবেন। আগামী সভায় এ বিষয়টি অবহিত করার জন্য চেষ্টা করবো।

বিজ্ঞাপন