চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কারাগারে টিকটকার ‘অপু ভাই’

:

রাস্তায় মারামারির ঘটনায় বিতর্কিত টিকটকার ইয়াছিন আরাফাত অপুরর রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার শুনানি শেষে রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তার।

বিজ্ঞাপন

এর আগে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আজিজুল হক।

বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর বাসিন্দা শহীদ ইসলামের ছেলে অপু (২০)। তিনি দক্ষিণখানের গোয়ালটেক এলাকায় থাকতেন। ‘অপু ভাই’ নামেও পরিচিত। টিকটক ও লাইকি অ্যাপের মাধ্যমে সারাদেশের একটি প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন এই কিশোর।

বিজ্ঞাপন

সোশ্যাল মিডিয়া লাইকিতে রঙিন চুলে ছোট ভিডিও করে বেশ পরিচিতি লাভ করেন ‘অপু ভাই’। লাইকি অ্যাপে তাকে অনুসরণ করে প্রায় ১০ লাখ মানুষ।

এর আগে, গত রোববার সন্ধ্যায় উত্তরা পূর্ব থানাধীন ৬ নম্বর সেক্টরের আলাউল এভিনিউ এলাকায় সড়কে আটকে টিকটকের শুটিং করছিলেন অপু ভাই ও তার সহযোগীরা। সে সময় একটি প্রাইভেটকারে থাকা ৪ জন বাধাগ্রস্থ হয়। তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে অপু ভাই ও তার সহযোগীরা মিলে প্রকৌশলী মেহেদী হাসান রবিন ও তার দুই বন্ধুকে মারধর ও রক্তাক্ত করে। এছাড়াও দেশিয় অস্ত্র ছুরি দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়।

এরপর সোমবার সকালে ভুক্তভোগী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান রবিনের বাবা এস এম মাহবুব আলম বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে উত্তরা পূর্ব থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়।

এজাহার ভুক্ত আসামীরা হলেন; টিকটকার অপু ভাই (২০), শাহাদাত হোসেন (৩০), রনি (২৫), জসিম উদ্দিন (৪৫), মুরাদ (২২), নাজমুল (২১), শাকিল (২৫) ও সানি (২২) সহ অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জন।

ওই মামলার ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় উত্তরা আলাউল এভিনিউ এলাকায় অভিযান চালিয়ে টিকটকার অপু ভাই ও তার এক সহযোগী নাজমুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।