চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কানাডার বিভিন্ন শহরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হচ্ছে

কানাডার আলবার্টার ক্যালগেরির মেয়র নাহিদ নেনশি ক্যালগেরিবাসীদের উদ্দেশ্য হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ক্যালগারিয়ানরা যদি মাস্ক পরিধান করার জন্য নিজেরা সতর্ক না হয় তবে দুই সপ্তাহের মধ্যে শহরে সমস্ত জনসাধারণের অভ্যন্তরীণ জায়গাগুলিতে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হতে পারে।

ক্যালগেরির স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ক্যালগেরি হেরাল্ড’ জানায়, মেয়র নেনশি আরো বলেন তিনটি কারণে মাস্ক পরা উচিত। জনসাধারণের মধ্যে অন্যদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা এবং সঠিক স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা, পাশাপাশি কোভিড-১৯ সংক্রমণকে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য।

বিজ্ঞাপন

ইতিমধ্যে টরন্টোয় বাধ্যতামূলক বাই ল’ মাস্ক পরা কার্যকর হয়েছে। যার ফলে আভ্যন্তরীণ সরকারি জায়গাগুলি- যেমন স্টোর, মল, উপাসনা স্থান এবং বিনোদন স্থানগুলিতে মাস্ক পরতে হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

কানাডার স্থানীয় গণমাধ্যম সিটিভি জানিয়েছে, ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে মন্ট্রিয়ালের অভ্যন্তরীণ পাবলিক স্পেসগুলিতে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হবে। মন্ট্রিয়ালের মেয়র ভেলারি প্ল্যান্ট জানিয়েছেন জুলাই থেকেই পাবলিক স্পেসে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। মন্ট্রিয়ালের সমস্ত অভ্যন্তরীণ জায়গাগুলি যেগুলি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে সেখানে শীঘ্রই মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক হতে চলেছে। মেয়র ভেলারি প্লান্ট তার টুইটার এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই পদক্ষেপের ঘােষণা দিয়ে বলেছেন, শহরটি একটি নতুন বাই ল’ নিয়ে কাজ করছে এবং ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে এটি কার্যকর করার লক্ষ্যে রয়েছে।

বর্তমানে মন্ট্রিয়ালে মাস্ক কেবলমাত্র একটি শহরতলিতে, কোট-সেন্ট-লুসে বাধ্যতামূলক, সেখানে এই নিয়মটি গত সপ্তাহে কার্যকর হয়েছে। ১৩ জুলাই তারা সরকারি ট্রানজিটে বাধ্যতামূলক হবে অন্যান্য বড় শহরগুলিতেও মাস্ক বাধ্যতামূলক ক

যদিও প্ল্যান্ট বলেছেন, দীর্ঘ মেয়াদে কোভিড-১৯ থেকে বাঁচার জন্য মাস্কপরার নতুন নিয়ম যা বাই ল ’ না মানলে দমন করতে দ্বিধা করব না। প্লান্ট মন্ট্রিলারদের অবিলম্বে স্বেচ্ছায় মাস্ক পরা শুরু করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমি জানি যে আপনারা সবাই আপনার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চান এবং একটি ভয়হীন গ্রীষ্ম উপভােগ করতে চান, তবে একসাথে সবাই নির্দেশনা অনুসরণ করলেই আমরা একটি সম্ভাব্য দ্বিতীয় পর্যায়ের করোনা সংক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবাে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬ হাজার ৭৪২, মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ৭৪৬ এবং সুস্থ হয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।