চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘কাজের বাইরেও তার সাথে আমার অসংখ্য স্মৃতি’

 

দেশীয় চলচ্চিত্র ও নাটকের কিংবদন্তী অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের প্রয়াণে শোকার্ত শোবিজ। শনিবার সকালে গুণী এই অভিনেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে যাওয়ার পর থেকেই শোক জানাচ্ছেন তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র প্রেমীরা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এবার ‘রঙের মানুষ’ খ্যাত এই কালজয়ী অভিনেতার প্রয়াণে ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা নিজের সামাজিক মাধ্যমে জানালেন দেশীয় চলচ্চিত্রের শীর্ষ অভিনেতা শাকিব খান।

শনিবার দুপুরে শাকিব স্মৃতিচারণ করে লিখেন, ‘চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রাজ্ঞজনদের একজন ছিলেন এটিএম আঙ্কেল। তবে এতো সহজ মানুষ ছিলেন, যার সাথে সবকিছু অকপটে বলা যেত। সর্বদা সুপরামর্শ পেয়েছি এই গুণী মানুষটির কাছ থেকে। সবকিছু ছাপিয়ে তিনি ছিলেন অত্যন্ত রসবোধ সম্পন্ন একজন মানুষ। শুধু সিনেমায় নয়, ব্যক্তিজীবনে দারুণ হিউমার সম্পন্ন মানুষ ছিলেন তিনি। রঙের মানুষ। মুহূর্তেই আসর জমিয়ে দিতে পারতেন, কিন্তু একই সঙ্গে আবার অত্যন্ত ব্যক্তিত্ববান!’

বিজ্ঞাপন

এই অভিনেতাকে হারিয়ে অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছেন জানিয়ে শাকিব আরো লিখেন, ‘কাজে কিংবা কাজের বাইরে এই সহজ মানুষটির সাথে আমার অসংখ্য স্মৃতি। তাঁর প্রয়াণে প্রিয় অভিনেতা হারানোর পাশাপাশি একজন অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছি। যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন এটিএম শামসুজ্জামান আঙ্কেল’।

শ্বাসকষ্ট নিয়ে ক’দিন ধরেই ভুগছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান। গত পরশু রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালেও নেয়া হয়। অক্সিজেন কমে গিয়েছিলো। সেখানে চিকিৎসা শেষে শুক্রবারই বাসায় নিয়ে আসা হয় তাকে। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি মারা যান।

ষাটের দশকের শুরুতে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন এ টি এম শামসুজ্জামান। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। লিখেছেন শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে খল অভিনেতা হিসেবে জনপ্রিয়তা পান এ টি এম।

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত কারণে অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও মাঝেমধ্যেই শখের বশে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে তাকে। তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ ছবি নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর ‘আলফা’। যা ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

বিজ্ঞাপন