চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নতুন আরও একজন করোনা রোগী শনাক্ত, সুস্থ হয়েছেন ৪ জন: আইইডিসিআর

গত ২৪ ঘণ্টায় আরো একজনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট আক্রান্ত ৪৯ জন। শনাক্ত কম হচ্ছে বলে বাংলাদেশ পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয় বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

রোববার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গত দুই দিন কারো শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি বলে অনেকে মনে করেছেন, বাংলাদেশ ঝুঁকিমুক্ত হয়েছে। আসলে তা নয়। যতদিন সারাবিশ্বে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় না আসবে ততদিন সুরক্ষা কার্যক্রম পরিবর্তন হলেও সেসব চলমান থাকবে।

বিজ্ঞাপন

ফ্লোরা আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আরো একজনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। ১৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে পাওয়া নতুন করোনা রোগী একজন নারী। তার বয়স বিশের ঘরে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে ৪৯ জনের মধ্যে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সুস্থ হওয়া রোগীদের বিষয়ে তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত চারজনের শরীরে করোনা সংক্রমণ আর নেই বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেই চারজনের তিনজন ষাটোর্ধ ছিলো। তারা বাসায় বসেই চিকিৎসা নিয়েছেন। সে হিসেবে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৬২ জন।

করোনা নিয়ন্ত্রণে পরামর্শ হিসেবে তিনি বলেন, নিজেকে সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে সামাজিক বিচ্ছিন্নকরণ অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। বাড়িতে থাকতে বলা হলে অবশ্যই ঘরে থাকুন। আপনাদের ঘরে থাকা দরকার। বের হবেন না। তবে, অত্যাবশ্যকীয় কাজে বের হতেই হলে মাস্ক ব্যবহার করুন। তারপরও শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ থাকলে সোজা হাসপাতালে চলে আসবেন না। বাড়িতে বসেই হটলাইনে যোগাযোগ করুন। বাড়িতে বসেই চিকিৎসা হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিধিগুলো মেনে চলুন। হাত পরিষ্কার রাখুন তাহলে সংক্রমণের আশঙ্কা কম। হটলাইনে ফোন করে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে ফোন রেখে দিন তাহলে অন্যরা সেই সময়ে সেবাটা পাবেন।

ফ্লোরা যোগ করেন, জ্বর হলেই ভাবছি কোভিড-১৯। তবে এখন ডেঙ্গুরও সময়। খেয়াল রাখবেন পানি যেন জমে না থাকে বাড়ির আশেপাশে। শুধু কোভিড-১৯ নিয়ে চিন্তিত না থেকে সিজনাল যেসব রোগ ভয়াবহ হয়ে উঠে আছে সেগুলো নিয়েও সচেতন থাকতে হবে।

করোনা পরীক্ষার কিটগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কিটগুলো পরীক্ষা করে নিচ্ছি। স্ট্যান্ডার্ড কিটের সঙ্গে নতুন কিট পরীক্ষা করেই ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে ভুল ফলাফল বা বিশ্লেষণ আসবে না বলে নিশ্চিত থাকুন। কুর্মিটোলা হাসপাতালকে কোভিড-১৯ চিকিৎসাকেন্দ্র করা হলে সেখানকার রোগীরা অন্যান্য হাসপাতালেও সেই সেবা পাবেন বলে নিশ্চিত করেন তিনি।